শরীরচর্চায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে

0
148

স্বাস্থ্য ডেস্ক : জিম যেতে অনেকেই ভয় পাচ্ছেন এখনও। সাঁতার কাটাও এখন বন্ধ। কিন্তু শরীরচর্চা বন্ধ থাকায় বিপদ বাড়ছে আরও। কারণ করোনা আবহে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটির উপরে। শরীরচর্চা করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, অ্যান্টিবডি অনেক বেশি কার্যকর থাকে।
শরীরচর্চা চলুক নিজের মতো
দলবেধে বা প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে ব্যায়াম করার অভ্যাস হলে ঘরে একা শরীরচর্চা করতে ভাল নাও লাগতে পারে। সেক্ষেত্রে সকালে উঠে মাঠে বা পার্কে চলে যান। লোকজনের ভিড় থাকলে এখানেও বজায় রাখুন ৬ ফুটের সামাজিক দূরত্ব।
এমন ব্যায়াম করুন যাতে একাধারে পেশির জোর ও হৃদস্পন্দন বাড়ে। প্রথমে দু-এক পাক দৌড়ে নিন বা জোর কদমে হাঁটুন। অভ্যাস থাকলে স্কিপিং করতে পারেন। ঘর থেকে মাঠে সাইকেল চালিয়েও যেতে পারেন।
সার্কিট ট্রেনিংয়ের মতো করে পর পর প্লাঙ্কস, পুশ আপ, স্কোয়াট, লেগ লিফ্ট, বার্পিস করুন।
২০-৩০ মিনিটে সারা শরীরের ওয়ার্কআউট খুব ভালো ভাবে হয়ে যাবে। ক্ষমতা বাড়বে হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসের। এই ব্যায়ামগুলো কিন্তু ঘরেও করতে পারেন।
নিদেনপক্ষে হালকা হাঁটাহাটি, যোগব্যায়াম বা শ্বাসের ব্যায়াম করুন। কমবে মানসিক চাপ। জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি বাড়বে।
জিমে যেতে চাইলে
জিম কর্মী ও অন্য ব্যবহারকারীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ে যেন যথাযথ প্রশিক্ষণ থাকে, সেটা যাচাই করে নেওয়া জরুরি।
পর্যাপ্ত পরিমাণে ডিসপোজেবল গ্লাভস, মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার জিমে আছে কি না দেখে নিন। নিজের স্যানিটাইজার সঙ্গে নিয়ে যান।
প্রতিটি যন্ত্র, ডাম্বেল, বারবেল, প্রতিটি সুইচ-হাতল, মাদুর, মেঝে, টয়লেট-সিট জীবাণুনাশক দিয়ে ঘণ্টায় ঘণ্টায় পরিষ্কার করা হয় কি না খোঁজ নিন।
৬ ফুট দূরত্ব বজায় রেখে ব্যায়ামের ব্যবস্থা রয়েছে কি না দেখা প্রয়োজন। কারণ মাস্ক পরে ব্যায়াম করা ঠিক নয়।
ঘরে এসে প্রথমেই স্যানিটাইজ করে গোসল করে নিন।
জিমের জামা-কাপড় সাবান পানিতে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে নিন।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here