Thursday, May 23, 2024
spot_img
Homeঅর্থনীতিব্যাংক একীভূতকরণ নিয়ে উদ্বেগ কেটে গেছে

ব্যাংক একীভূতকরণ নিয়ে উদ্বেগ কেটে গেছে

ব্যাংক একীভূত করা নিয়ে আমাদের মধ্যে যে উদ্বেগ ছিল তা কেটে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার।

সোমবার (৪ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, গভর্নর আমাদের প্রশ্নগুলোর উত্তর ভালোভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন। আমরা বুঝতে পেরেছি ব্যাংক একীভূত হলে কারো ক্ষতি হবে না, দুর্বল ব্যাংক শক্তিশালী হবে এবং ভালো ব্যাংক আরো শক্তিশালী হবে।

এক প্রশ্নের উত্তরে এক্সিম ব্যাংকের এ চেয়ারম্যান বলেন, পত্রপত্রিকায় দেখেছি ব্যাংক একীভূত হবে, এতে আমাদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক কাজ করছিল। আজ গভর্নরের সঙ্গে  বিস্তারিত কথা হয়েছে, তিনি আমাদেরকে বুঝিয়েছেন তাই আমাদের আতঙ্ক কেটে গেছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ব্যাংক একীভূত করার উদাহরণ রয়েছে। তাই জাতীয় স্বার্থে আমরা এটি মেনে নেব।

তিনি বলেন, সরকার যদি চায় তাহলে জাতীয় স্বার্থে যেকোনো সিদ্ধান্ত মানতে আমরা বাধ্য।

তবে কোন প্রক্রিয়ায় ব্যাংক একীভূত হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়। তাই এখনই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আসেনি। মালিকদের পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে একীভূত হবে নাকি কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত দেবে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়নি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত আমরা জাতীয় স্বার্থে মেনে নেব।’

বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবাউল হক বলেন, ব্যাংক খাতের ভালোর জন্যই আমরা ব্যাংক একীভূত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের সামনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উদাহরণ রয়েছে। সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে আমরা একটি নীতিমালা তৈরি করব কীভাবে একীভূত করা যায়।

তিনি বলেন, এমনও হতে পারে যে কোনো ব্যাংক একীভূত করার প্রয়োজন হবে না। ইতোমধ্যে দুর্বল ব্যাংক চিহ্নিত করার জন্য পিসিএ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। আগামী বছরের মার্চ নাগাদ আমরা দুর্বল ব্যাংক চিহ্নিত করতে পারব। এরপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কোন কোন ব্যাংক একীভূত করার প্রয়োজন রয়েছে। তখন সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে প্রণীত নীতিমালার আলোকে ব্যাংক একীভূতকরণ প্রক্রিয়া শুরু হবে।

মেজবাউল হক বলেন, অন্যান্য দেশের উদাহরণগুলো লক্ষ্য করলে দেখা যায়, অধিকাংশ ক্ষেত্রে মালিকদের নিজস্ব উদ্যোগেই ব্যাংক একীভূত হয়েছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিদ্ধান্ত দিয়েছে। আমরাও চাই মালিকরা সিদ্ধান্ত নিক। যদি প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয় তাহলে আমরা সিদ্ধান্ত জানাব।

RELATED ARTICLES

Leave a reply

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments