• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • মৎস্য আইন বাস্তবায়নে ভুল্লি বাধে মোবাইল কোট পরিচালনা 

     swadhinshomoy 
    06th Sep 2025 9:30 am  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

    নদীতে মাছ জেন ভালো ভাবে তার আবাধ বিচরন ও পজনন করতে পারে। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, মাছকে রক্ষার জন্যই তাদেরে অভিযান যা অব্যাহত থাকবে । ভুল্লিতে মৎস্য আইন বাস্তবায়নে প্রশাসনের খামারিরা এবং যারা মৎস্য শিকার করে জীবন যাপন করেন তারা জেন নদীতে মাছ পায় সেই কাজ করছে মৎস কর্মকর্তা ও মৎস অফিস । স্থানীয় মৎস্য কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যে জানা গেছে, তারা এলাকার নদী ও খালে অবৈধভাবে পাতানো জাল, যা স্থানীয়ভাবে ঘুড়ি জাল নামে পরিচিত তা সরিয়ে ফেলার জন্য নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছেন।এ আভিযানের আলোকে আজ তারা ভুল্লি বাদে অভিযান চালান এবং বিপুল পরিমাণ ঘুড়ি জাল জব্দ করেন।
    ​এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো
    ​নদী ও খালের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা।
    ​অবৈধভাবে মৎস্য শিকার বন্ধ করা।
    ​দেশীয় মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধি করা।
    ​এই বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মৎস্য সুরক্ষা ও দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
    কারেন্ট জাল এবং ঘুড়ি জাল দিয়ে মাছ ধরার বিরুদ্ধে যে অভিযান চলছে, তাতে খামারিরা দীর্ঘমেয়াদি লাভবান হতে পারেন। কারণ এই ধরনের ক্ষতিকর জাল ব্যবহার বন্ধ হলে দেশের নদী, খাল-বিল ও অন্যান্য উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের স্বাভাবিক প্রজনন ও বৃদ্ধি ঘটবে। এর ফলে সামগ্রিকভাবে মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধি পাবে।
    ​ এই অভিযান খামারিদের জন্য আনেক উপকারী।
    ​মাছের পোনার সংরক্ষণে কারেন্ট জাল এবং ঘুড়ি জালের সবচেয়ে বড় ক্ষতিকর দিক হলো, এগুলো দিয়ে ছোট মাছ, বিশেষ করে মাছের পোনা বা রেণু নির্বিচারে ধরা পড়ে। এতে মাছের বংশবৃদ্ধি ব্যাহত হয়। অভিযান সফল হলে পোনার নিধন বন্ধ হবে, যা নদীর মৎস্য সম্পদকে সমৃদ্ধ করবে। এর ফলে, প্রাকৃতিকভাবে মাছের সংখ্যা বাড়বে, যার একটি অংশ খামারগুলোতেও আসতে পারে।
    ​প্রাকৃতিক উৎস থেকে উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে প্রাকৃতিকভাবেই মাছের উৎপাদন বাড়বে। এর ফলে স্থানীয় মাছের সরবরাহ বাড়বে, যা বাজারে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করবে। খামারিদের জন্য মাছের পোনা সংগ্রহ করা সহজ হবে এবং তাদের মাছের খাদ্য খরচও কমতে পারে।
    ​মাছের দাম স্থিতিশীল থাকলে, অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধ হলে বাজারে মাছের সরবরাহ বাড়বে। এর ফলে মাছের দাম স্থিতিশীল থাকবে, যা ভোক্তাদের জন্য যেমন ভালো, তেমনি খামারিদের জন্য ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করবে।
    ​জলজ পরিবেশের উন্নতি হলে, এই ধরনের জালের ব্যবহার বন্ধ হলে জলজ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে। মাছ ছাড়াও অন্যান্য জলজ প্রাণী, যেমন কচ্ছপ ও কাঁকড়া, এসব জালে আটকা পড়ে মারা যায়। অভিযান সফল হলে জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে এবং পুরো বাস্তুতন্ত্র সুস্থ থাকবে।
    ​তবে, খামারিদের লাভবান হওয়ার এই প্রক্রিয়াটি রাতারাতি হবে না। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া, যেখানে মৎস্য আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে হবে এবং অবৈধ জালের উৎপাদন ও বিক্রি পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। এই বিষয়ে সরকারের কঠোর তদারকি এবং জেলে ও খামারিদের সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    September 2025
    S M T W T F S
     123456
    78910111213
    14151617181920
    21222324252627
    282930