শেখ রাজু আহমেদ খুলনা:
সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলা সরকারি ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দুর্নীতি ও অনিয়ম এমন একটি তথ্যের ভিত্তিতে খুলনা বিভাগীয় একটি সাংবাদিক টিম সরেজমিনে প্রতিবেদনের জন্য হাসপাতালে হাজির হলে দেখা যায় প্রতিদিন আউটডোরের টিকিটের মূল্য সরকার নির্ধারণ করে দিয়েছে তিন টাকা৷ সেখানে হাসপাতালের কর্মকর্তা কর্মচারীরা রোগীদের কাছ থেকে নিচ্ছে পাঁচ টাকা করে , সরকারি রাজস্ব খাতে জমা হচ্ছে ৩ টাকা সচেতন মানুষের প্রশ্ন তাহলে দুই টাকা করে কোথায় জমা হয় , প্রতিদিন যদি আউটডোরে ৩০০ রোগী হয় প্রতিমাসে রোগীর সংখ্যা এসে দাঁড়ায় নয় হাজার তাহলে ৯০০০ রোগীর কাছ থেকে যদি ২ টাকা করে বাড়তি নেয়া হয় তাহলে মাসে ১৮০০০ টাকা হয়, এভাবে এক বছরে টাকার পরিমাণ এসে দাঁড়ায় এক লক্ষ ১৬০০০ টাকা, তাহলে বছরের পর বছর এই টাকা গুলো কোথায় যাচ্ছে এর নাই কোন সৎ উত্তর, ভর্তি থাকা ৫০ জন রোগীর সরকারি নির্ধারিত খাবার মেনু দেখতে গেলে দেখা যায় সরকারি মেনুতে আছে সকলে নাস্তা, ও দুপুরে ভাত মাছ মাংস ডাল ও সবজি, কিন্তু দেখা যায় সবজির দাম বেশী থাকার কারণে শুধুমাত্র মাংস ও ডাল দিচ্ছে , অপরিষ্কার জায়গায় রান্না হচ্ছে ভর্তি থাকা রোগীদের সাথে কথা বললে জানা যায় নাস্তা ও দুপুরের খাবার দেয় ঠিকই কিন্তু খাবারের মান খুবই খারাপ, আউটডোরে একজন রোগী ইসমাইল তার সাথে কথা বলে জানা যায় যে টিকিট কেটে এই হাসপাতালে ডাক্তার পাওয়া খুবই কষ্টের বিষয়, এই সমস্ত অভিযোগ ও হাসপাতালের সার্বিক বিষয়ে নিয়ে হাসপাতালে পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সাথে কথা বলতে গেলে দেখা যায় তিনি হাসপাতালে উপস্থিত নাই তখন মুঠোফোনে তিনাকে ফোন করে হাসপাতালের সার্বিক বিযয় জানতে চাইলে তিনি বলেন হাসপাতালে চতুর্থ গ্রেটের কর্মচারী কম থাকার কারণে হাসপাতাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব হচ্ছে না, এবং আমাদের হাসপাতালে মেডিকেল ডাক্তার খুবই সংকট যার কারণে রোগীদের একটু ভোগান্তি হচ্ছে, এবং অন্যান্য হাসপাতালের থেকে আমার হাসপাতালে খাবারের মান খুবই ভালো । হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৭৫জন আউটডোরে প্রতিদিন রোগী হয় ৩০০ থেকে ৪০০ রোগী, হাসপাতালে উপস্থিত থাকা আর এম ও সাহেবের কাছে হাসপাতালের টিকিটের মূল্য তিন টাকার পরিবর্তে ৫টাকা নিচ্ছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি বিষয়টা জানিনা। হাসপাতালের প্রধান সহকারি বড় বাবুর কাছে সরকারি নির্ধারিত খাবারের মেনুর বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন ১৭৫ টাকায় ৩ বার খেতে দিতে আমরা খুব হিমশিম খাচ্ছি সরকারের কাছে দাবি যদি একটু বরাদ্দ বাড়াতেন তাহলে ভর্তি থাকা রোগীরা সঠিকভাবে খাবার উত্তোলন করতে পারতেন

