গৌতম কুমার মহন্ত, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ
নওগাঁয় পুলিশের অভিযানে এক নারীসহ চার ভুয়া পুলিশ আটক করেছে।১৭ সেপ্টম্বর বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়ক শহরের বাইপাস জলিল চত্বর থেকে তাদের আটক করা হয়।১৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে নওগাঁর পুলিশ সুপার সাফিউল সারোয়ার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। গ্রেফতারকৃতরা হলো,ঢাকার নয়ানগর এলাকার বাসিন্দা সাবরিনা ও বড় মগবাজার এলাকার বাসিন্দা ফুল মিয়া ও নারায়ণগঞ্জের পূর্বাচল এলাকার বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম জিন্নাত এবং দিগলীয়ার টেক এলাকার বাসিন্দা দ্বীন ইসলাম।পুলিশ সুপার সাফিউল সারোয়ার বলেন,বুধবার রাত সাড়ে ১২ টার দিকে নওগাঁ শহরের বাইপাস জলিল চত্বর এলাকায় পুলিশ একটি মাইক্রোবাসকে চ্যালেঞ্জ করে এবং মাইক্রোবাসে থাকা সাবরিনা নামের এক যাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, ঢাকা এফডিসি থেকে ডিএমপি পুলিশের ইউনিফর্ম এবং অন্যান্য সরঞ্জামাদী ভাড়া করে জেলার মান্দা থানার গোবিন্দপুর এলাকায় সকালে শুটিং করার জন্য তারা যাচ্ছে।তার কথায় পুলিশের মনে সন্দেহ সৃষ্টি হয়।এসময় পুলিশের অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদে সাবরিনা জানায়,জেলার মান্দা উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের কর্মচারী সোহেল রানা তার অর্থ এবং ডকুমেন্টস আত্মসৎ করে পালিয়ে এসেছে।এঘটনায় তিনি কর্মচারী সোহেল রানাসহ তার বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে ঢাকার বিজ্ঞ সি.এম.এম আদালতে সিআর মামলা দায়ের করেছে।এ মামলা বিজ্ঞ আদালত পিবিআইকে তদন্ত করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানায় সাবরিনা।পুলিশের প্রাথমিক ধারণ সাবরিনার পরিকল্পনায় অন্য আসামীগনের সহযোগীতায় ডিএমপি পুলিশের ইউনিফর্ম, ডিবির জ্যাকেট, হ্যান্ডকাপ, ডেমো শর্টগান এবং ডেমো পিস্তল ব্যবহার করে নিজেদের পুলিশ পরিচয়ে কর্মচারি সোহেল রানা এবং তার বাবা-মাকে অপহরন করার উদ্যেশে মাইক্রোবাস যোগে সেখানে যাচ্ছিল।কিন্তু পথিমধ্যে পুলিশের তৎপরতায় তারা আটক হয়।নওগাঁ পুলিশ সুপার বলেন,এ ঘটনায় নওগাঁ সদর মডেল থানায় তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা হয়েছে।

