গৌতম কুমার মহন্ত,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ
নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার নাটশাল গ্রামের উদ্যোক্তা প্রবাস ফেরত আরিফুল ইসলাম আরিফ হাঁসের খামার গড়ে তুলেছেন।তিনি এ খামার থেকে নিজে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।একটি বেসরকারী সংস্থা থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে তিনি পরিকল্পনা করেন,হাঁসের খামার গড়ে তোলার।তার পরিকল্পনা অনুযায়ী হাঁসের খামার গড়ে তোলেন এবং নিয়মিত হাঁসের পরিচর্যার মাধ্যমে তিনি অল্প সময়ের মধ্যেই আত্মকর্মসংস্থানের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।প্রবাস ফেরত আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন,তিনি দেশে ফিরে নিজে কিছু একটা করার পরিকল্পনা করছিলেন,এসময় স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা ঘাসফুলের মাধ্যমে হাঁস পালন বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং সহজ শর্তে আর্থিক সহায়তা পেয়ে নিজ এলাকায় হাঁসের খামার গড়ে তোলেন।সীমিত সংখ্যক হাঁস দিয়ে তার খামারের যাত্রা শুরু হয়। তবে কয়েক মাসের ব্যবধানে বর্তমানে তার এ খামারে প্রায় আড়াই হাজর হাঁস রয়েছে।খামারি আরিফুল ইসলাম আরিফের মতে আধুনিক পদ্ধতিতে হাঁস পালন ও রোগবালাই প্রতিরোধে নিয়মিত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরামর্শসহ পরিচর্যার মাধ্যমে উৎপাদন ব্যয় কমেছে এবং লাভের অংক বেড়েছে।হাঁসের ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা ও মাংস বিক্রির মাধ্যমে তিনি প্রতিদিন নিদিষ্ট অংকের আয় করছেন।এ আয় থেকে তিনি নিজে স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি এলাকার ১৮ জন বেকার যুবকের কর্মসংস্থান করেছেন।আরিফ জানান,তার নিজস্ব ১৭ শ’ হাঁস থেকে এবং ঘাঁসফুলের সহযোগিতায় স্থানীয় পর্যায়ে হাঁসের বানিজ্যিক খামার থেকে বাঁকী ডিম সংগ্রহ করে প্রতিদিন প্রায় ১২ হাজার ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানো হচ্ছে।তিনি হ্যাচারি ও হাঁস পালন করে প্রতিমাসে ৩ থেকে ৪ লক্ষ টাকা আয় করছেন বলে জানান।এ খামারটি আরো সম্প্রসারণের মাধ্যমে এলাকার বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে বলে খামারী আরিফ জানান।তার সাফলতা দেখে এলাকার অনেক বেকার যুবকরা হাঁস পালনসহ বিভিন্ন খামার করার আগ্রহী দেখাচ্ছেন স্থানীয়রা জানান।ঘাসফুল আর,এম,টি,পি প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মোঃ আমির হামজা বলেন,গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আয় বাড়াতে এবং আর,নিরাপদ পোল্টি ও পোল্ট্রি জাত পণ্যের বাজার উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা চলমান আছে।

