বাবুল আক্তার, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহ-৪ অর্থাৎ কালীগঞ্জ ও সদরের আংশিক নিয়ে গঠিত এই আসনের নির্বাচনী হাওয়া এখন তুঙ্গে। আজ দুপুরে রাজধানীর গুলশানে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাত ধরে বিএনপিতে যোগ দেন মো. রাশেদ খান। আর যোগদানের পরপরই তাকে এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় বিএনপি।
কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের পর আজ বিকেলেই কালীগঞ্জের মোবারক আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে জরুরি মতবিনিময় সভায় বসেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ঝিনাইদহ-৪ আসনের শক্তিশালী মনোনয়ন প্রত্যাশী ও বিএনপি নেতা হামিদুল ইসলাম হামিদ।
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আতিয়ার রহমান, উপজেলা বিএনপির নেতা আনোয়ারুল ইসলাম রবি, আব্দুল মজিদ মাজেদ, পৌর বিএনপি নেতা বাবুল আক্তার, যুবদল নেতা মাহবুবুর রহমান মিলন, আশরাফুজ্জামান রনি, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমুখ।
প্রধান বক্তা তার বক্তব্যে বলেন,”আমাদের পরবর্তী করণীয় কী হবে, তা আমরা সবাই মিলে ঠান্ডা মাথায় ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেব। আপনারা কেউ উত্তেজিত হবেন না, সব পরিস্থিতি ধৈর্যের সাথে মোকাবেলা করতে হবে। আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি, আমি সবসময় জিয়া পরিবারের সাথে আছি এবং থাকব।”
সভায় বক্তারা বলেন, দলের এই কঠিন সময়ে ঐক্যবদ্ধ থাকার কোনো বিকল্প নেই। তবে প্রার্থীর পরিবর্তন ও মনোনয়ন নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে যে ধূম্রজাল তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে আলোচনার মাধ্যমেই পথ খোঁজা হবে বলে জানান তারা। সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ও পৌর বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
তৃণমূলের নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার এই বার্তা স্থানীয় রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলে এবং রাশেদ খানের নির্বাচনে অংশগ্রহণ কতটা মসৃণ হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

