• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের নিরাপত্তায় সাত দিন মাঠে থাকবে সেনাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী 

     Ahmed 
    08th Jan 2026 7:20 am  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    অনলাইন ডেস্ক:     জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের নিরাপত্তায় সাত দিনের জন্য মাঠে থাকবেন সেনাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর সদস্যরা। ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি সাত দিন তারা মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসাবে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন। এছাড়া এলাকা ও গুরুত্বভেদে ভোটকেন্দ্রের পাহারায় থাকবেন পুলিশ ও আনসারের ১৬ থেকে ১৮ জন সদস্য।

    আগের মতো এ নির্বাচনেও স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র (সেনা, নৌ ও বিমান) বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার এসংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বুধবার ওই পরিপত্র নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে এ পরিপত্র জারি করা হলো। এতে ৮ জানুয়ারির আগ পর্যন্ত এখন যে অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে, তা বহাল থাকবে। ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসাবে মাঠে নামবে তারা।

    এ নির্বাচনে মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সারা দেশে প্রতিটি সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৬-১৭ জন পুলিশ ও আনসার এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭-১৮ জন মোতায়েন থাকবে। আর মেট্রোপলিটন এলাকার সাধারণ ভোটকেন্দ্রে পুলিশ ও আনসারের ১৬ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ জন থাকবেন। দুর্গম ঘোষিত ২৫ জেলার নির্দিষ্ট এলাকার ভোটকেন্দ্রে ১৬-১৮ জন করে পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন হবে। এসব সদস্য ভোটগ্রহণের দুদিন আগ থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন।

    পরিপত্রে বলা হয়েছে, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় মোতায়েন হবেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে পরামর্শ করে সারা দেশে তাদের মোতায়েন করা হবে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য সশস্ত্র বাহিনী অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা জেলা, উপজেলা ও মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্টে অবস্থান করবেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে টহল ও অন্যান্য অভিযান পরিচালনা করবে। সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দেওয়া হবে।

    ইসির কর্মকর্তারা জানান, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) সংশোধনীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসাবে সশস্ত্র বাহিনীকে যুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু এ নির্বাচনে আগের মতোই ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের সপ্তম ও দশম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মোতায়েন করা হয়েছে।

    এ নির্বাচনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল বা স্ট্রাইকিং ফোর্স দায়িত্ব পালন করবে। ওই ফোর্স সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন এবং নির্বাচনি আচরণবিধি যথাযথ প্রতিপালন নিশ্চিত করবে। এছাড়া নির্বাচন সামনে রেখে সমন্বয় সেল গঠন করা হবে। ওই সমন্বয় সেলে সব বাহিনীর সদস্যরা থাকবেন। ওই সেল অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসী গ্রেফতার ও বিশেষ তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করবে। পরিপত্রে বৈধ অস্ত্রের প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা বলা হয়েছে।

    ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বৈধ অস্ত্রধারীরা অস্ত্র বহন ও প্রদর্শন যাতে না করেন, সেজন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করবে। তবে রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় সংসদ-সদস্য প্রার্থীরা নীতিমালা অনুযায়ী অস্ত্র বহন করতে পারবেন। এছাড়া ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে প্রার্থী বা তার পক্ষে ক্যাম্প স্থাপন যাতে না করে, সেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ নির্দেশনা অমান্য করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    January 2026
    S M T W T F S
     123
    45678910
    11121314151617
    18192021222324
    25262728293031