আঃমাবুদ
স্টাফ রিপোর্টার
র্যাব প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরনের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালনসহ সকল প্রকার সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
সাম্প্রতিক সময়ে গাইবান্ধা জেলায় বিভিন্ন ইটভাটায় পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর অতিরিক্ত সালফার ব্যবহার, অ্যাশ-মারকারি সম্বলিত কয়লা ব্যবহার এবং ছাড়পত্রবিহীন ইটভাটা স্থাপনের তথ্য পাওয়া যায়। উক্ত তথ্যের সত্যতা নিশ্চিতকরণসহ অবৈধ ইটভাটা ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনা ও প্রসার রোধে র্যাব-১৩ গোয়েন্দা কার্যক্রম বৃদ্ধি করে।
এরই ধারাবাহিকতায় ইং ০৭/০১/২০২৬ তারিখ সকাল ১০.০০ ঘটিকা হতে বিকাল ০৪.০০ ঘটিকা পর্যন্ত র্যাব-১৩, সিপিসি-৩, গাইবান্ধা ক্যাম্প, গাইবান্ধা জেলা পুলিশ, সাদুল্লাপুর ফায়ার সার্ভিস এবং জেলা প্রশাসনের বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিগণের নেতৃত্বে গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর থানাধীন এলাকায় যৌথ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন আইন, ২০১৩ (সংশোধিত-২০১৯)/ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন এর ৫(১), ৮(১) বিধান লঙ্ঘন করে ১৫(২), ১৮(২) ধারা অনুসারে (১)মেসার্স আনোয়ারা ব্রিক্স প্রতিষ্ঠানের মালিক মোঃ আল মামুনকে ৫ লক্ষ টাকা, (২) মেসার্স সরকার ব্রিক্স প্রতিষ্ঠানের মালিক মোঃ আশরাফুল হাবিবকে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, (৩) মেসার্স এসআই ব্রিক্স প্রতিষ্ঠানের মালিক শরিফুল আলম উজ্জলকে ৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, (৪) এ জেড বি ব্রিক্স প্রতিষ্ঠানের মালিক আজিজকে ৩ লক্ষ টাকা, (৫) এমএবি ব্রিক্স প্রতিষ্ঠানের মালিক আনোয়ার হোসেন সরকারকে ৫ লক্ষ টাকা সহ সর্বমোট ২৩ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।
বিভিন্ন অপরাধ দমনে র্যাব-১৩ এর প্রতিটি সদস্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে কাজ করে যাচ্ছে এবং অপরাধ প্রতিরোধে র্যাব-১৩ এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

