শহীদুল ইসলাম শরীফ, স্টাফ রিপোর্টার
ঢাকার দোহার উপজেলার প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র, জয়পাড়া ও পালামগঞ্জ বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজ এবং নতুন দেশি আলুর দাম কিছুটা কমলেও, সাধারণ মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে শীতকালীন সবজি। গত সপ্তাহের তুলনায় অধিকাংশ সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি, ২০২৬) সকালে দোহারের এই দুই বাজার ঘুরে দেখা যায়, শীতের ভরা মৌসুম হওয়া সত্ত্বেও সবজির সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও দাম কমেনি, বরং বেড়েছে।
যে ফুলকপি গত সপ্তাহে ছিল প্রতিটি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা (গত সপ্ততা ছিল ৫0 টাকা), পাতাকপি ৪০ টাকা (গত সপ্ততা ছিল ৫0 টাকা), শিম ৬০ টাকা (গত সপ্ততা ছিল ৫0 টাকা), শসা ১০০ টাকা (গত সপ্ততা ছিল ৮0 টাকা), বরবটি ১২০ টাকা (গত সপ্ততা ছিল ১০০0 টাকা), মুলা ৫০ টাকা (গত সপ্ততা ছিল ৪0 টাকা) গাজর ৮০ টাকা (গত সপ্ততা ছিল ৭0 টাকা)।
এছাড়া শীতকালীন শাকের সরবরাহ ভালো থাকায় লাল শাক, পালং শাক ও সরিষা শাকের আঁটি ১০ থেকে ২০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।
সবজির দাম বাড়লেও স্বস্তি মিলেছে পেঁয়াজ ও নতুন আলুর বাজারে। বাজারে নতুন দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। জয়পাড়া বাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী মো. আলী বলেন, বাজারে একযোগে দেশি পেঁয়াজের বড়ো চালান আসায় গত সপ্তাহের তুলনায় দাম অনেকটাই কমেছে। সরবরাহ এমন থাকলে দাম আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।” অন্যদিকে, নতুন আলুর বাজারজাতকরণ বৃদ্ধি পাওয়ায় আলুর দামও সাধারণ ক্রেতাদের নাগালে চলে এসেছে।
বাজারে আসা সাধারণ ক্রেতারা জানান, পেঁয়াজ ও আলুর দাম কমায় কিছুটা সুবিধা হলেও সবজির বাড়তি দাম তাঁদের বাজেটে প্রভাব ফেলছে। শীতের এই সময়ে সবজির দাম কমার কথা থাকলেও উল্টো বেড়ে যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে। খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে বলেই খুচরা পর্যায়ে দাম একটু বেশি।

