নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি
মিরাজ
প্রতিবেদন :
আমি ১৪/০১/২০২৬ ইং তারিখে আমার উপর একটি নৃশংস ও বর্বর হামলার ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে আমি গুরুতরভাবে অসুস্থ ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছি।
আমি পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে উক্ত ঘটনার শিকার হই। ১৪/০১/২০২৬ ইং তারিখে সকালে আমার টেলিভিশনে একটি লাইভ অনুষ্ঠান ছিল। উক্ত কাজ করার জন্য দ্রুততার সঙ্গে জাইতে ধরি, আমি ডিমলা প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থিত চার দোকানের একটি দোকানের সামনে একটি গ্যাসের সিলিন্ডার ও চুলা দেখতে পেয়ে দেশের চলমান গ্যাস সংকট বিষয়ে একটি রিপোর্ট তৈরির উদ্দেশ্যে মাত্র একটি ভিডিও ফুটেজ ধারণ করি।
উল্লেখ্য, ভিডিও ফুটেজ নেওয়ার সময় দোকানটিতে কেউ উপস্থিত ছিলেন না। ফুটেজ নেওয়া শেষ করে ঘুরে দেখি দোকানদার সামনে এসে উপস্থিত হন। তখন দোকানদার রুবেল আমাকে জিজ্ঞাসা করেন, আমি সেখানে কী করছি। আমি তাকে সম্পূর্ণ বিষয়টি ভদ্রভাবে খুলে বলি এবং জানাই যে, এটি শুধুমাত্র গ্যাস সংকট সংক্রান্ত একটি রিপোর্টের অংশ, অন্য কোনো উদ্দেশ্যে নয়।
কিন্তু দোকানদার রুবেল বিষয়টি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে আমার উপর চড়াও হন। এরপর তার ভাইও ঘটনাস্থলে এসে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং লাঠি-সোটা দিয়ে বেধড়ক মারধর শুরু করে। তারা দু’জন মিলে আমার উপর নির্মমভাবে হামলা চালায়।
এই হামলায় আমার মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলা হয়, শারীরিকভাবে আমি গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হই এবং বর্তমানে অসুস্থ অবস্থায় আছি। আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই যে, আমি কোনো আপত্তিকর বা ব্যক্তিগত ভিডিও ধারণ করিনি। শুধুমাত্র একটি রিপোর্টের জন্য গ্যাস চুলার ফুটেজ নিয়েছিলাম, এর বাইরে আর কিছুই নয়। উক্ত ভিডিও ফুটেজ প্রমাণ হিসেবে প্রয়োজনে দেখানো যাবে।
আমি একজন নাগরিক হিসেবে এবং দেশের স্বার্থে কাজ করতে গিয়ে এমন বর্বর হামলার শিকার হওয়ায় গভীরভাবে মর্মাহত। কোনো অন্যায় না করেও আমাকে এভাবে মারধর ও হেনস্তা করা হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।
দোকানদার রুবেল ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং আমাকে ন্যায়বিচার প্রদান করা হোক।
আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার কামনা করছি।

