• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • তিস্তা সেচ প্রকল্পের বাঁধ ভেঙে নীলফামারীতে পানির নিচে ৫০০ বিঘা ফসলি জমি 

     swadhinshomoy 
    20th Jan 2026 2:14 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    নীলফামারী প্রতিনিধি:
    আল মিরজ

    নীলফামারীর তিস্তা সেচ প্রকল্পের একটি বাঁধ ভেঙে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। বাঁধ ভেঙে হঠাৎ প্রবল বেগে পানি ঢুকে পড়ায় জেলার বিস্তীর্ণ এলাকার প্রায় ৫০০ বিঘা ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিস্তা সেচ প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ হঠাৎ করে পানি ছেড়ে দেওয়ায় বাঁধটির একটি অংশ দুর্বল হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বাঁধটি ভেঙে গেলে আশপাশের নিচু এলাকার জমিতে পানি ঢুকে পড়ে। ফলে ধান, ভুট্টা, আলু, সবজি ও অন্যান্য মৌসুমি ফসল সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে গেছে।
    ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, ফসল তোলার আগ মুহূর্তে এমন দুর্ঘটনায় তারা সর্বস্ব হারাতে বসেছেন। অনেক কৃষক ঋণ করে চাষাবাদ করেছিলেন। এখন ফসল নষ্ট হওয়ায় পরিবার পরিচালনা ও ঋণ পরিশোধ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা। কৃষকদের অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অব্যবস্থাপনা ও ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই এ বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
    খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানান, বাঁধের ভাঙা অংশ দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
    এদিকে এলাকাবাসীর দাবি, তিস্তা সেচ প্রকল্পের বাঁধগুলো দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। দ্রুত স্থায়ী ও টেকসই সংস্কার না করলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    January 2026
    S M T W T F S
     123
    45678910
    11121314151617
    18192021222324
    25262728293031