গৌরাঙ্গ বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
কালিহাতীর ব্যস্ত রাজপথ থেকে শুরু করে নীরব গ্রামপথ—সবখানেই এখন নির্বাচনী আমেজে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য। টাঙ্গাইল–৪ (কালিহাতী) আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মো. লিয়াকত আলী দিন–রাত ছুটে চলেছেন মানুষের দোরগোড়ায়। উন্নয়ন, মানবিকতা ও আস্থার বার্তা নিয়ে আজ (২২ জানুয়ারি) বিকেলে তিনি উপজেলার সহদেবপুর ইউনিয়নে পৌজান ব্যাপক গণসংযোগ করেন ।
এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কালিহাতী উপজেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক আব্দুল রাজ্জাক, সদস্যসচিব এখলাস মণ্ডল, যুগ্ম আহ্বায়ক ফজল মোল্লা, যুগ্ম আহ্বায়ক মীর শহিদুল ইসলাম শহীদ, যুগ্ম আহ্বায়ক জুলহাস উদ্দিন, কালাম মিলিটারী, নারান্দিয়া ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতিসহ দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
গণসংযোগে ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী কেবল ভোট প্রার্থনাতেই সীমাবদ্ধ থাকেননি—তিনি মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন সাধারণ মানুষের সুখ–দুঃখের কথা। কারও মুখে ছিল চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে, কারও অভিযোগ মানসম্মত শিক্ষার অভাব ও শিক্ষানীতি পরিবর্তন করতে হবে, আবার কেউ তুলে ধরেছেন সকল দলীয় করুন বন্ধ করতে হবে। প্রত্যেকের কথাই তিনি ধৈর্যের সঙ্গে শোনেন।
সহদেবপুর ইউনিয়নে পৌজান বাজারে এক কাঁচা বাজারের দোকানদার বলেন, এতদিন অনেকেই ভোটের সময় আসে, কথা দেয়—পরে আর খোঁজ থাকে না। কিন্তু লিয়াকত আলী সাহেব যেভাবে আমাদের সমস্যা শুনলেন, মনে হলো তিনি সত্যিই কাজ করতে চান।
স্থানীয় এক বৃদ্ধ ভোটার বলেন বলেন, আমরা গরিব মানুষ, আমাদের কথা কেউ শোনে না। আজ উনি নিজে এসে জানতে চাইলেন—এটাই তো বড় ভরসা।
ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময়ে ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী একটি আধুনিক ও সম্ভাবনাময় কালিহাতী গড়ার রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি বলেন,
নির্বাচিত হলে কালিহাতীতে একটি আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়ন, টেকসই সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং যমুনার ভাঙন রোধে স্থায়ী ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করব। আমি কথা দিতে নয়—কথা রাখতে রাজনীতিতে এসেছি।
এলাকাবাসীর ভাষ্যে, তাঁর আচরণে রয়েছে বিনয়, সততা ও দায়িত্ববোধের স্পষ্ট ছাপ। একজন মানবিক ও নিষ্ঠাবান নেতৃত্ব হিসেবে ইতোমধ্যে তিনি মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। গণসংযোগের প্রতিটি মুহূর্তে সাধারণ মানুষের চোখেমুখে ফুটে ওঠে প্রত্যাশার আলো—এই মানুষটি যদি কথা রাখেন, তবে বদলে যেতে পারে কালিহাতীর ভাগ্য।
এই বিশ্বাস থেকেই ক্রমেই আরও বেশি মানুষ লাঙ্গল প্রতীকে ভোট দিয়ে ইঞ্জিনিয়ার মো. লিয়াকত আলীর হাত শক্ত করার অঙ্গীকার করছেন—একটি উন্নত, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ কালিহাতীর স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে।

