মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা :তারিখ ৩/০২/২০২৬ ইং- কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলায় মাদ্রাসা অধিদপ্তরের ডিজি’র প্রতিনিধির জাল চিঠি, ভুয়া নিয়োগ বোর্ড, ফলাফল শীট এবং ডিজি’র প্রতিনিধির জাল স্বাক্ষরে অবৈধভাবে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ ও এমপিও করনের অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন করেছে মাদ্রাসা অধিদপ্তর। ০১ ফেব্রুয়ারী মাদ্রাসা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এবিষয়ে নোটিশ প্রকাশ করা হয়েছে। এরআগে অধিদপ্তর তিন মাদ্রাসা সুপারকে শোকজ নোটিশ প্রদান করে।
জানা যায়, জাল নথিপত্রে অবৈধভাবে শিক্ষক-কর্মচারী পদে এমপিও করনের অভিযোগ উঠে বাজারহাট উপজেলার বড়ঘাট গমীর উদ্দিন দাখিল মাদ্রাসা বুড়িরহাট আব্দুস সামাদ মন্ডল দাখিল মাদ্রাসা কানুরাম সিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রাসা পান্থাপাড়া দাখিল মাদ্রাসা সহ বেশ কয়েকটি মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে। এছাড়া সিরাজ উদ্দিন দাখিল মাদ্রাসায় এ্যাডহক কমিটির তথ্য গোপন করে নিয়মিত কমিটি দেখিয়ে ভূয়া নথিপত্রে কর্মচারীর তিনটি পদে এমপিও ভূক্তির ঘটনা ঘটে। এঘটনায় ০১ ফেব্রুয়ারী মাদ্রাসা অধিদপ্তরের ওয়েব সাইটে মাদ্রাসা অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক (বরিশাল) ড. মোঃ ইসমাইল হোসেন স্বাক্ষৰীত নোটিশে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সহ উক্ত মাদ্রাসা সুপার ও অধ্যক্ষদের স্ব-স্ব মাদ্রাসার নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে স্ব-শরীরে মাদ্রাসার উপ-পরিচালক (প্রশাসন) এর কক্ষে তদন্ত শুনানীতে অংশ গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য গত বছর রাজারহাট উপজেলার বেশ কয়েকটি মাদ্রাসায় ভূয়া নথিপত্রে সহকারী গ্রন্থাগারিক (লাইব্রেরিয়ান), ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট, ল্যাব অপারেটর, এমনকি জুনিয়র মৌলভী শিক্ষক সহ কর্মচারীর ২০টিরও বেশি পদে এমপিওভুক্ত হয়। এছাড়া আরও কয়েকটি মাদ্রাসার ১৪ থেকে ১৫টি পদে এমপিও বাণিজ্যের পায়তারা চালার অভিযোগ উঠে। এবিষয়ে অভিযুক্ত একাধিক মাদ্রাসা সুপার নোটিশ প্রাপ্তির বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
রাজারহাট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারঃ) কামরুল ইসলাম তদন্ত কমিটি গঠন ও স্বশরিরে উপস্থিতির বিষয়ে নোটিশ জারীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

