রহমত আরিফ ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতাঃ
মাঘের শেষে শীতের দাপট কমলেও ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী আমেজ দিয়েছে বাড়তি উষ্ঞতা । চায়ের দোকান থেকে ফসলের মাঠজুড়ে নির্বাচনী উত্তাপ। ভোটের মাঠে জোর প্রচারণায় ব্যস্ত প্রার্থীরা। সভা,সমাবেশ আর গণসংযোগের কমতি নেই কারও। ভোটারদের মন জয় করতে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রতি। চলছে কথার লড়াই। তবে ভোটকে ঘিরে প্রত্যাশা পূরণের পাশাপাশি নানাবিধ কারনে শঙ্কিতও সাধারণ ভোটারেরা।
এবারে জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন ২০ জন প্রার্থী। ১২ লক্ষাধিক মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগে প্রস্তত হচ্ছে ৪১৭ টি ভোটকেন্দ্র। এরই মধ্যে ঝুঁকিপুর্ণ কেন্দ্রের সংখ্যা ২০১ টি ।
ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনে ১৮৫ টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯২ টি, ঠাকুরগাঁও-২(বালিয়াডাঙ্গী,হরিপুর,রাণীশংকৈলের একাংশ) আসনে ১০৪ টির মধ্যে ৪৬ টি এবং ঠাকুরগাঁও-৩ (পীরগঞ্জ,রাণীশংকৈল) আসনে ১২৮ টির মধ্যে ৬৩ টি ঝুঁকিপুর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কেন্দ্রগুলো নির্বাচন উপযোগী করার পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রস্তত জেলা প্রশাসন। নিরপেক্ষতা আর সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে থাকবে সিসিটিভি।
সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের কাশিডাঙ্গা গ্রামের স্কুল শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, বিগত সময়ে ভোট ঘিরে নানা সহিংসতা পরীলক্ষিত হয়েছে। আমরা আর পুনরাবৃত্তি চাইনা। আমরা চাই ভোট হোক আনন্দের, ভোট হোক উৎসবমুখর৷ প্রশাসন সর্বোচ্চ নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে বলে প্রত্যাশা৷
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ইশরাত ফারজানা বলেন, অবাধ,সুষ্ঠু নির্বাচন বাস্তবায়নে প্রশাসন বদ্ধ পরিকর৷ প্রত্যেকটা কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকবে।এছাড়াও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সচেষ্ট ভূমিকা পালনে তৎপর। সকলের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হবে৷

