• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • শাল্লায় দিনেদুপুরে বিল শুকিয়ে মাছ আহরণ 

     swadhinshomoy 
    26th Feb 2026 12:36 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

    মোঃ দিলুয়ার হোসেন

     

    সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় জলমহাল শুকিয়ে মাছ আহরণের হিড়িক পড়েছে। নীতিমালার কোন তোয়াক্কা না করে ইজারাকৃত জলমহাল শুকানোর এ যেন বিশাল প্রতিযোগিতা। দিন দুপুরে বিল শুকিয়েছে একশ্রেণির প্রভাশালী মৎস রাক্ষস চক্র এসব কাজ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    উপজেলার হবিব পুর ইউনিয়ন এর কাজোয়া নদি জলমহাল শুকিয়ে নির্বিচারে মাছ আহরণের অভিযোগ উঠেছে খোদ ইজারাদারের বিরুদ্ধে৷

    আসান পুর সেমল বাংলা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির বিশ্ব রঞ্জন সরকার নিকট থেকে সাবলিজ নিয়ে ভুয়া কাজকারবার করছে মার্কলি গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য এলাচ মেম্বার নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি।

    অন্য দিকে শরালীতোফা গ্রামের বাসিন্দা সুজন মিয়া বলেন কাজোয়া নদী জলমহাল টি মার্কলি গ্রামের এলাচ মিয়া শুকাইছে।এ দিকে পূর্বে ও এধরণের বিল শুকানের অভিযোগ আছে বলে মার্কলি গ্রামের নাম অনেচ্ছুক এক ব্যাক্তি জানান ।

    কাজোয়া নদি জলমহাল শুকানোর বিষয়ে জানতে ছাইলে ইজারাদার এলাছ মিয়া বলেন হেরায় কিভাবে দিছে হেরারে জিগাইবায়, আমারে জিগাইবার দরকার নাই, আমি এমনই মাইরা খাইছি হেরায় যদি আমর উপর প্রতিবাদ করার করব।

    ইজারা নেয় আসান পুর সেমল বাংলা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির নামে। নীতিমালা অনুযায়ী তারা নিজেরা জলমহালে মাছ ধরার কথা, অথচ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রভাবশালীর সাব লীজ দিয়ে নগদে হাতিয়ে নেয় বিশাল অংকের টাকা।

    কিন্তু সাবলীজ নেয়া ব্যাক্তিগণ ও নীতিমলা না মেনে জলমহাল শুকিয়ে অবাধে মাছ আহরণ করায় দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে ঝুঁকিতে রয়েছে হাওর অঞ্চল।

     

    অথচ নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে সাবলীজ নামে কেউ জলমাহল আহরণ করতে পারবে না। তবে এসব নীতিমালা মানছে না সমিতির লোকেরা। নিয়ম অনুযায়ী ৩ বছরে একবার জলমহালে ৪ থেকে ৫ ফুট পানি রেখে জাল দিয়ে মাছ আহরণের কথা থাকলেও প্রভাব শালী এলাছ মেম্বার গং রা নীতিমালা ও মৎস্য সংরক্ষণ আইন অমান্য করে ডিজেল চালিত মেশিন দিয়ে নির্বিচারে মৎস্য নিধন করছে ইজারাদার সমিতির সংশ্লিষ্টরা।

    এতে দেশি প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হওয়ার পাশাপাশি হাওরের জীববৈচিত্র্য বিনষ্ট হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    অপরদিকে সেচের কারণে হাওরে পানির সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জমিতে পানি সেচ সঙ্কটের কারণে চলতি বোরো মৌসুসে আবাদকৃত জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    এবিষয়ে শাল্লা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস এর সাথে মোঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমি তফশিল দার কে পাঠিয়ে ছি এদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিব।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    February 2026
    S M T W T F S
    1234567
    891011121314
    15161718192021
    22232425262728