• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • যশোর সদর উপজেলার কচুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সরকারি আইনের তোয়াক্কা না করে প্রাইভেট পড়িয়ে আসছেন 

     swadhinshomoy 
    28th Feb 2026 3:41 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    অনুসন্ধান প্রতিবেদন প্রথম পর্ব

    যশোর সদর উপজেলার কচুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের যোগশাজসে সরকারি আইনের তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে ভিতরে প্রাইভেট পড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।

    সরেজমিনে গিয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তিন সহকারী শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে টাকার বিনিময়ে স্কুলে প্রাইভেট পড়াচ্ছেন, শুধু তাই নয় বাহিরের এক শিক্ষক স্কুলের ভিতরে প্রাইভেট পড়ানোর ও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    স্কুলের শিক্ষার্থীরা বলেন সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত স্যারেরা স্কুলের ভিতরেই প্রাইভেট পড়ান আমাদের,তারা বলেন ইংলিশ এক শিক্ষক অবসরে গেছেন সেই স্যার ও প্রাইভেট পড়ান আমাদের। প্রাইভেট বাবদ প্রতি মাসে ২০০/ থেকে শুরু করে ৪০০/ টাকা পর্যন্ত আমাদের কাছ থেকে শিক্ষকরা নেন।

    সরকারি নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভিতরে কোন প্রাইভেট বা কোচিং সেন্টার পরিচালনা করা যাবে না। সেই খানে কচুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র, সরকারি আইন অমান্য করে স্কুলের ভিতরে প্রাইভেট পড়ানো চালিয়ে যাচ্ছেন সহকারী শিক্ষকগণ।

    কচুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সাথে ফোনে কথা বলা হয়, তিনি বলেন আমি নতুন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। তিনি প্রাইভেট পড়ানো হয় স্বীকার করে বলেন যে, আমাকে জানিয়েই স্কুলে প্রাইভেট পড়ান সহকারী শিক্ষকরা, তিনি বলেন ভালো শিক্ষার জন্যই প্রাইভেট পড়ানো হয়। সরকারি নিয়ম রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতরে প্রাইভেট পড়ানো যাবে না, তাহলে আপনি সরাসরি আইন না মেনে কি ভাবে প্রাইভেট পড়ানোর অনুমতি দিয়েছেন।

    প্রধান শিক্ষক বলেন আমার মনে হয়েছে, তাই প্রাইভেট স্কুলের ভিতরে পড়ানোর জন্য বলেছি।

    কি কারণে আমি প্রাইভেট পড়ানোর অনুমতি দিয়েছি, যাতে লেখাপড়া ভালো হয়,তার জন্য অনুমতি দিয়েছি। তিনি বলেন আমি বুঝতে পারিনি, আপনি কোন কিছু প্রকাশ করবেন না । আগামীকাল থেকে আর প্রাইভেট পড়ানো হবে না। প্রধান শিক্ষক কারো বলেন আমাদের স্কুল থেকে যে শিক্ষক অবসরে গেছেন সেই শিক্ষক খুব ভালো ইংলিশ পড়ান তাই তাকে দিয়ে ইংলিশ বাচ্চাদের পড়ানোর জন্য বলে দিয়েছি।

    আমাদের ভুল হয়ে গেছে এর পর আর কোন ভুল হবে না। সব কিছু নিষেধ করে দেওয়া হবে,ওই স্যার ও আর প্রাইভেট পড়াতে আসবে না। তিনি বলেন এই বিষয়টি নিয়ে আপনারা কাউকে কিছু জানাবেন না, আমি আর কখনো স্কুলের ভিতরে প্রাইভেট পড়াতে দিবো না এবারের মতো একটু বিষয়টি নিজেদের ভিতরেই রাখেন।

    এই বিষয়ে কথা বলার জন্য জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ফোন দেওয়া হয়, তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

    কচুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাইভেট পড়ানোর বিষয়ে দ্বিতীয় প্রতিবেদনের তথ্য সংগ্রহ চলমান রয়েছে দেখতে চোখ রাখুন।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    February 2026
    S M T W T F S
    1234567
    891011121314
    15161718192021
    22232425262728