সাংবাদিক মোঃ জাহিদ হোসেন
লেদি চড়ের খাল পেরিয়ে বইছে মোদের গ্ৰাম
সবুজ শ্যামল ছলাত ঢেউয়ে নাও তে বশে আরাম।
ছোট্ট খালের বাঁক পেরিয়ে ঐ পাড়ে পাকডাল
দুই ধারে উঠেছে জেগে কেওড়া গাছের ডাল।
জারির জাহরা সাঁতার কাটে ভাটার তালে তালে
টুকটুকে এক হলুদ বধু বসেছে মগডালে।
দল বেঁধেছে রাখালের দল, পাল তুলেছে মাঝি
লেদি চড়ের উপড়ে চড় নাম দিয়েছে হাজী।
বেইন্নাকালে দল বেঁধে সব চড়ায় মহিষ গরু
পাকডালের খালটি বড়ো এখন বেজায় সরু।
ফজর শেষে মা চাচিরা যাইতো বাপের বাড়ি
খালের কুলে নৌকা বইতো লম্বা সারি সারি।
গ্ৰাম খানি মোর অপ রুপা মানুষ সাদা মাটা
থৌল বইতো পূর্ব পাড়ে বলি দিত পাডা।
খালের উপর বাঁশের চারটি যায় না এখন দেখা
গ্ৰামের দু’ধার জুড়ে গাঙ্গটি আঁকা বাঁকা।
রোগ পথ্যের ভরসা ছিল ছুডু, হর দাদা
এই পাড়া আর ঐ পাড়া রাস্তা ছিল কাঁদা।
সপ্তা শেষে সবাই মিলে যাইতো গাঁ এর হাটে
বধূরা সব কলসি কাকে জমতো পুকুর ঘাটে।
যা ছিল সব হারিয়ে গেছে থাকবে না বাকি কাল
এখন শুধুই গ্ৰাম আছে নামটি পাকডাল।

