• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • শ্রীপুরে গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে অপরিপক্ক কাঁঠাল 

     swadhinshomoy 
    26th Mar 2026 12:13 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    মোঃ নাজিম উদ্দিন
    শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি

    গাজীপুরের শ্রীপুরে গাছের গোড়া থেকে মগডালে শোভা পাচ্ছে কচি কাঁঠাল। সপ্তাহ খানেকের মধ্যে মিলবে পরিপক্ক কাঁঠাল। যেদিকে চোখ যায়, শুধু গাছে গাছে কাঁঠাল আর কাঁঠাল।

    গাজীপুরের শ্রীপুরকে কাঁঠালের রাজধানী বলা হয়। দেশে কাঁঠালের চাহিদা পূরণের পর এখান থেকে কাঁঠাল বিদেশেও রপ্তানি করা হচ্ছে।

    এ বছর উপজেলার প্রতিটি কাঁঠাল গাছের গোড়া থেকে মগডাল পর্যন্ত কাঁঠালে ভরে গেছে। কাঁঠাল পাকে মূলত বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে। এখানকার কাঁঠাল চাষীদের আশা, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি না হলে এবার কাঁঠালের বাম্পার ফলন হবে।

    উপজেলার বিভিন্ন এলাকা জুড়ে ও তার আশেপাশে সবখানে এখন কাঁঠাল গাছগুলোতে ঝুলন্ত কাঁঠাল ছেয়ে আছে। কোনো কোনো আগাম জাতের কাঁঠাল পাকতে শুরু করেছে। পাকা কাঁঠালের মিষ্টি গন্ধে কীটপতঙ্গরা ভিড় করছে গাছে গাছে।

     

    এই উপজেলায় কাঁঠালের বাজারগুলোর মধ্যে অন্যতম জৈনা বাজার, বরমী বাজার, কাওরাইদ ও গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি।

    শ্রীপুর পৌর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রমিজ উদ্দিন বলেন, তার ২০টি কাঁঠাল গাছে সমানতালে কাঁঠাল ধরেছে। তিনি এবার তিন লাখ টাকার কাঁঠাল বিক্রি করবেন বলে আশা করছেন। এ বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে না পড়ায় কাঁঠালের ভালো ফলন হয়েছে।

    তেলিহাটি ইউনিয়নের টেংরা এলাকার হারুনুর রশিদ জানান, গাজীপুরের শ্রীপুরের কাঁঠাল দেশের চাহিদা পূরণের পরেও প্রতিবছর বিদেশে রপ্তানি করা হয়। তার বাড়ির আশেপাশে নিজের ১৬টি কাঁঠাল গাছ আছে। তার গাছে প্রচুর কাঁঠাল ধরেছে। এ বছর তার কাঁঠাল বিক্রির আশা ২থেকে ৩ লাখ টাকার।

    এদিকে এখানকার অধিকাংশ কাঁঠাল গাছ বাগানভিত্তিক না হলেও বাড়ির আঙিনায়, রাস্তার দুই ধারে রয়েছে। এসব গাছে ঝুলে থাকা কাঁঠালের দৃশ্য অনেকের নজর কাড়ে। অন্যান্য ফল ও গাছ নিয়ে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে যত তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়, কাঁঠাল নিয়ে তার সিকি পরিমান তৎপরতা লক্ষ্য করা যায় না। কোনো কোনো পরিবার কাঁঠালের মৌসুমে কাঁঠাল বিক্রি করে সারা বছরের আয় করেন।

    দুই থেকে তিন মাস কাঁঠালের ভরা মৌসুম। এ সময় পাইকার ও শ্রমিক শ্রেণির লোকদের বাড়তি আয়ের সুযোগ হয়। এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কাঁঠালের ফলন ভালো হয়েছে। তবে ফলন বেশি হলে দাম না পাওয়ার আশঙ্কাও থাকে। কারণ, বেশি ফলনে দাম পড়ে যাওয়ার রেওয়াজ অতীত কালের।

    সরেজমিনে উপজেলার একটি পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, গাছে গাছে কাঁঠালে ভরে গেছে। প্রতিটি গাছে ২০০ থেকে ৩০০টির বেশি পর্যন্ত ফল ধরেছে।

    তবে এ এলাকায় কাঁঠাল প্রক্রিয়াজাত করার কোনো ব্যবস্থা না থাকায় কৃষকরা তাদের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অবিলম্বে অত্র এলাকায় একটি কাঁঠাল প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থা গড়ে তুললে এ উপজেলার মানুষ অর্থনৈতিকভাবে উপকৃত হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    March 2026
    S M T W T F S
    1234567
    891011121314
    15161718192021
    22232425262728
    293031