নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর সদর উপজেলার ৪ নং কোদালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবসে পতাকা উত্তোলন করা হয়নি।
আজ মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে।
এই দিনে সরকারি বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা টাঙ্গানোর নিয়ম রয়েছে।
অথচ কোদালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পতাকা উত্তোলন করতে দেখা যায়নি, সরকারি নিয়ম অমান্য করে স্বাধীনতা দিবসে পতাকা টাঙানোর নির্দেশ থাকলেও তা যথাযথ ভাবে পালন করতে দেখা যায়নি।
কোদালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেহেনা আখতার কে ফোন দিলে তিনি বলেন আমি সাড়ে ১২টা পর্যন্ত স্কুলে ছিলাম তখন পতাকা টাঙ্গানো ছিল আমরা সবাই চলে আশার পরে চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী মোঃ আফজাল পতাকা নামিয়ে ফেলেছে কিনা তা আমি জানি না, তিনি বলেন সকাল থেকে সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত পতাকা টাঙ্গানো রাখার নিয়ম আছে এবং আমি তাকে বলে দিয়েছি কিন্তু সে, আমরা চলে আশার পরে নামিয়েছে কিনা তা আমি বলতে পারছি না, যদি নামিয়ে রাখে তাহলে ভুল করে ফেলেছে তিনি আরো বলেন আমি চলে আশার পরে সে কি করছে তা আমার বলা অসম্ভব আপনারা তার সাথে কথা বলে দেখুন সে, কি বলে, প্রধান শিক্ষক রেহেনা আখতার বলেন অনেক বড় ভুল হয়ে গেছে, তিনি বলেন যদি আপনারা প্রতিবেদন করেন তাহলে তো আর কি করার আছে ঠিক আছে প্রতিবেদন করে দিন কোন সমস্যা নেই।
পতাকা নামিয়ে ফেলার বিষয়ে জানার জন্য চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী আফজাল এর সাথে কথা বলা হয়। তিনি বলেন আমি ১টার দিকে পতাকা নামিয়ে বাড়ি চলে গিয়েছি তিনি বলেন আমি একটু অসুস্থ তার জন্য নামিয়ে চলে গেছি, আমার অনেক বড় ভুল হয়ে গেছে আপনারা আমার নামে কোন কিছু লিখবেন না।
চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী আফজাল সাংবাদিকদের অনেক অনুরোধ করেন যাতে তার নামে কোন প্রতিবেদন না করা হয়। চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী আফজাল এক পর্যায়ে সাংবাদিকদের প্রতিবেদন প্রকাশ না করার জন্য টাকা দেওয়ার ও চেষ্টা করেন। সাংবাদিকরা তখন তাকে বলেন আপনি স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবসে পতাকা উত্তোলন করেন নাই। আপনি ভুল করছেন আবার আপনি সাংবাদিকদের টাকা দেওয়ার চেষ্টা করছেন এই বিষয়টি আপনার কর্মকর্তাদের জানানো হবে।
এর পরে ওই চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী আফজাল তার এলাকার দুই ব্যক্তিকে দিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বিলিয়েছেন, এবং এক ধরনের হুমকি দিয়েছেন।
সদর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার মোঃ মাহিদুল ইসলাম এর সাথে কথা বলা হয়, তিনি বলেন পতাকা না টাঙ্গানো অনেক বড় অপরাধ আপনারা প্রতিবেদন করে আমাকে দিয়ে দিন এই বিষয়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কোদালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় প্রতিবেদনের তথ্য সংগ্রহ চলমান রয়েছে দেখতে চোখ রাখুন।

