• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • শাল্লায় ঈদের দিনে বিভিন্ন স্থানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক 

     swadhinshomoy 
    29th Mar 2026 11:41 am  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    মোঃ দিলুয়ার হোসেন
    শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

    সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধের জেরে পৃথক চারটি স্থানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
    শনিবার (২১ মার্চ) বিভিন্ন জায়গায় সংগঠিত এসব ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

    সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ইচাকপুর গ্রামে বোরো জমি খাওয়া কে কেন্দ্র করে স্থানীয় আইদুল ও আব্দুল হাশিম দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষে ১০ জন আহত হন । আহতরা হলেন ১/ আইদুল মিয়া, ২ / জাহান্নুর মিয়া, ৩/ সিরাজুল ইসলাম, ৪ / মুচা মিয়া, ৫ / সেবুল মিয়া, ৬/ মোছাঃ সুফিয়া খাতুন, ৭/ আব্দুল হাশিম, ৮/ লিটন মিয়া, ৯/ হাবিবুর রহমান, ১০/ অনিক হাসান । ইটপাটকেল ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এলাকাটি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। পড়ে এদের কে শাল্লা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন ৷
    এবিষয়ে মোঃ জাহান্নুর মিয়া জানান, শনিবার ঈদের জামাত শেষে আব্দুল হাশিম এর লোকজন আমাদের উপর অতর্কিত ভাবে হামলা চালিয়ে রামদা, দা, বলম দিয়ে আমাদের কে আক্রমণ সহ ঘর বাড়ি ভাংচুর করে ।

    এদিকে শ্রীহাইল গ্রামের ইজাজুল রহমান খাইরুল ও পাইনেল মিয়ার মধ্যে সংঘর্ষ হয় পুর্ব বিরুদের জের ধরে। এতে হবিবুল মিয়ার ছেলে পাইলেন মিয়া, রোমান মিয়া ও আক্কাছ মিয়ার ছেলে পায়েল মিয়া গং মিলে বড় নদীর পাড়ে ইজাজুল মিয়াকে একা পেয়ে বেধড়ক মারধর করে। বর্তমানে ইজাজুল মিয়া শাল্লা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

    অন্য দিকে সুধন কল্লি গ্রামের রাকেশ সরকার ও রানা দাসের এর মধ্যে বাড়ির সিমানা কে কেন্দ্র করে দুই গ্রুফের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। ইটপাটকেল ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় রাকেশ সরকার এর লোকজন । প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের অন্তত ৫ জন আহত হন। তারা হলেন ( ১) রাকেশ সরকার( ২) নরেশ সরকার , ৩ জনি দাস, পিতা রতীন্দ্র দাস, ৪ হিরেন্ড দাস, ৫ হেপি রানী দাস, আহতদের কে আত্মীয় স্বজনের সহযোগিতায় শাল্লা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পড়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক নরেশ সরকার এর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে সে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লরছে। এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

    চতুর্থ সংঘর্ষটি ঘটে কাশীপুর ও চন্ডিপুর গ্রামের লোকজনের মধ্যে। পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই গ্রামের মানুষ লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের বহু লোক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

    এদিকে ১ নং আটগাও ইউনিয়ন এর উজান ইয়ারাবাদ গ্রামে জামাল মিয়া ও আঃ সালাম মিয়ার মধ্যে সংঘর্ষ হয় পুর্ব বিরুদের জের ধরে। এতে উভয় পক্ষে ৫ জন আহত হয় । পড়ে তাদেরকে আত্মীয়দের সহযোগিতায় শাল্লা হাসপাতালে ভর্তি করান ।এ বিষয়ে জামাল মিয়া বাদী হয়ে আব্দুস সালামকে প্রধান আসামি করে ১৪ জনের বিরুদ্ধে শাল্লা থানায় মামলা দায়ের করেন
    যার মামলা নং ১৪/৩৩

     

    ​সব মিলিয়ে বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষে আহতের সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়েছে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

    ​এ বিষয়ে শাল্লা থানার এসআই সঞ্জয় কুমার সরকার ও এএসআই ফুলন চন্দ্র দাস জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিবেশ শান্ত রয়েছে।

    ​তারা আরও বলেন “ঘটনার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।”

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    March 2026
    S M T W T F S
    1234567
    891011121314
    15161718192021
    22232425262728
    293031