• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • বাড়ি ভাড়া না দেওয়ায় সারারাত বাহিরে, সকালে ফিরল লাশ হয়ে 

     swadhinshomoy 
    30th Dec 2025 6:52 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    আশুলিয়া প্রতিনিধি শরিফ মিয়া :

    ১ মাসের ভাড়িভাড়া না দেওয়ায় ঘরে তালা দেয় বাড়িওয়ালা। ভয়ে সারারাত বাহিরে থাকে ভাড়াটিয়া অংকন। শরীরে জখম নিয়ে সকালে ফিরল লাশ হয়ে। এমনি অমানবিক ঘটনা ঘটেছে ঢাকার আশুলিয়ায়।

    সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের টেংগুরী মন্ডলপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত অংকন সুনামগঞ্জের শাল্লা থানাধীন শ্রীহাইল এলাকার নূরু মিয়ার ছেলে। সে আশুলিয়ার টেংগুরী মন্ডলপাড়া এলাকার নাজমুল আলমের বাড়িতে স্ত্রী-সন্তান ও বাবা-মাকে নিয়ে ভাড়া বাসায় থেকে রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন।

    নিহতের বৃদ্ধ মা শাহানাজ বেগম জানান, এক মাসের ভাড়া পাবে বাড়িওয়ালা। রাতে সবাইকে বের করে দিয়ে ঘরের গেটে তালা দিয়ে দেয় বাড়িওয়ালা নাজমুল আলম। পরে বিষয়টি ফোনে ছেলেকে জানানো হয়। টাকা দিতে হবে ভয়ে সে সারারাত বাড়িতে ফিরে আসেনি। তবে রাত সাড়ে ১০ টার দিকে ছেলে ফোন দিয়ে জানায় আগামীকাল (আজ) সোমবার দুপুরে বাড়িওয়ালাকে ভাড়া দিবে। পরে বিষয়টি বাড়িওয়ালার স্ত্রীকে জানালে গেটের তালা খুলে দেয় বাড়িওয়ালার স্ত্রী। পরে সকালে মিশ্লু নামের এক ব্যক্তি এসে খবর দেয় তার ছেলে হাসপাতালে। পরে অংকনের স্ত্রীকে নিয়ে সেখানে গিয়ে দেখেন তার ছেলেকে একটি এ্যাম্বুলেন্সে তার ছেলেকে তুলছেন। পরে সেখান থেকে বাড়িতে নিয়ে আসলে সে মারা যায়। একমাসের বাড়িভাড়ার জন্য তার ছেলে ভয়ে বাইরে ছিল আর লাশ হয়ে বাসায় ফিরল বলে কান্নায় ভেংগে পড়েন তিনি।

    তার স্ত্রী সাদিয়া আক্তার জানান, তার সিদরাতুল মুনতাহা নামের এক বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তার ছেলেটা এতিম হয়ে গেল। কেন এমন হল? এ দায় কে নিবে? নাঈম নামের একজনের নাম বলে গেছে তার স্বামী। নাঈমই তাকে মারধর করে হাসপাতালে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। তার স্বামীকে নাঈমই হত্যা করেছে।

    এদিকে, অংকনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া অটোচালক শফিকুল ইসলাম জানান, গভীর রাতে অংকন সহ আরো চার জন তার অটো নিয়ে শ্রীপুরে যায়। কিন্তু তারা না নেমে পুনরায় জিরানীতে নামতে বলেন। পথে চক্রবর্তী এলাকায় পৌছালে পেছনে বসা তিনজন হট্টগোল শুরু করে এবং তার অটো উল্টে যায়। এসময় অংকন আঘাত পেলেবতাকে প্রথমে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে এবং পরে ঢাকা কেপিজে স্পেশালাইড হাসপালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু ভোরে কোন কারণ ছাড়াই তাকে এ্যাম্বুলেন্সে তুলে দেয়া হয়। শুনেছি বাড়িতে নিয়ে আসার পর তার মৃত্যু হয়। তবে ওই চারজন হাসপাতালে অংকনকে রেখেই চলে যায়।

    বাড়িওয়ালা নাজমুল আলম বলেন, তার কাছে তিন মাসের ভাড়া পাবো। তাই তালা দিয়েছিলাম। ভুল হইহে এটা।

    আশুলিয়া থানার এসআই মানষ ভদ্র জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    December 2025
    S M T W T F S
     123456
    78910111213
    14151617181920
    21222324252627
    28293031