মোঃ সিরাজুল মনির চট্টগ্রাম ব্যুরো:
চট্টগ্রাম নন্দনকানন এলাকায় বসবাস করেন রাহুল বড়ুয়া তার বাসার পাশে অবস্থিত ডিসি হিল পার্ক পার্শ্ববর্তী হওয়ায় তিনি প্রতিদিন সকালে প্রাত্ব ভ্রমণে বের হন ডিসি হিল পার্কে। কিন্তু কত বেশ কিছুদিন ধরে পার্কের অভ্যন্তরে হাঁটাচলা করা মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে তার একমাত্র কারণ হলো পার্কের অভ্যন্তরে জমে থাকা ময়লার স্তুপ। হাঁটাচলা করার সময় অনেকটা দুর্গন্ধ ছড়িয়ে থাকার কারণে সুস্থ পরিবেশে হাঁটাচলা করা যায় না বলে তিনি জানান।
চট্টগ্রাম মহানগরীর নন্দনকানন এলাকায় অবস্থিত ডিসি হিল পার্কের উপরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এবং চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের বাসভবন রয়েছে। তারা প্রতিদিন বাসা থেকে অফিসে আসা যাওয়ার সময় ময়লার স্তুপ গুলো দেখেও না দেখার ভান করে। অথচ পার্কের অভ্যন্তরে পরিষ্কার রাখার জন্য মালি এবং ঝাড়ুদার নিয়োগ থাকলেও তাদেরকে চোখে পড়ে না কারো।
নগরের আন্দরকিল্লা জামাল খান লাভলেন এনায়েত বাজার জুবলি রোড রিয়াজউদ্দিন বাজার নিউমার্কেট এলাকা নন্দনকানন এলাকা সহ বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা প্রায় প্রতিদিন পার্কের অভ্যন্তরে একটু ঘোরাফেরার জন্য প্রবেশ করে কিন্তু পার্কের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ বাজে অবস্থা ধারণ করার কারণে দর্শনের তীরে হাঁটাচলা করতে পারে না পরিবেশগত কারণে। পার্কের ভেতরে প্রবেশ করে দেখা যায় ওয়াক ওয়ের প্রতিটি জায়গায় ময়লার স্তূপ জমে আছে শেষ কবে জারুদার এসে পরিষ্কার করেছে তা কেউ বলতে পারে না। দীর্ঘদিন ধরে ময়লা জমে থাকার কারণে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়তেছে এতে পরিবেশ নষ্ট হয়ে ওঠেছে।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান পার্কের অভ্যন্তরের পরিবেশ ঠিক রাখার জন্য প্রতিদিন ময়লা পরিষ্কার করার কথা রয়েছে কিন্তু সঠিক মনিটরিং এর কারণে পার্কের দায়িত্বপ্রাপ্তরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছে না বলে তারা জানান। দর্শনার্থীদের দাবি সিটির ভিতরে এমনি পার্কের অভাব তার মধ্যে যে কয়েকটি পার্ক আছে তা সব সময় পরিষ্কার রেখে হাঁটাচলা করার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

