• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • কেন নিয়মিত বদলাবেন বিছানার চাদর-বালিশের কভার 

     Ahmed 
    10th Sep 2025 7:47 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    লাইফস্টাইল ডেস্ক: বেশিরভাগ মানুষ প্রতিদিনের এক–তৃতীয়াংশ সময় কাটান বিছানায়। এই দীর্ঘ সময়ের সংস্পর্শে আমাদের বালিশ ও চাদর হয়ে ওঠে নানা জীবাণুর আখড়া।

    দিন শেষে নরম বালিশে মাথা রাখা আর কম্বলে জড়িয়ে ঘুমানোর অনুভূতি দারুণ। কিন্তু বিছানার ভেতরে লুকিয়ে থাকে অগণিত ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস, ভাইরাস ও ধূলিকণা মাইট। ঘামের আর্দ্রতা, লালা, মৃত ত্বক আর খাবারের কণা তাদের জন্য স্বর্গরাজ্য।

    ধূলিকণা মাইটের দাপট:
    আমরা প্রতিদিন গড়ে ৫০ কোটি মৃত ত্বক কোষ ঝরাই। এগুলো ধূলিকণা মাইটের কাছে যেন বিশাল ভোজসভা। যা থেকে অ্যালার্জি, হাঁপানি ও একজিমার মতো রোগ হতে পারে।

    ব্যাকটেরিয়ার আস্তানা:
    গবেষণায় দেখা গেছে, অপরিষ্কার চাদরে জন্ম নেয় স্ট্যাফিলোকক্কাস ব্যাকটেরিয়া। সাধারণত ক্ষতিকর না হলেও কিছু প্রজাতি ত্বকের সংক্রমণ, ব্রণ, নিউমোনিয়ার কারণ হয়। বিশেষ করে দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মানুষের জন্য তা ভয়ংকর।

    নাইজেরিয়ার একটি গবেষণায় অপরিষ্কার হাসপাতালের চাদরে পাওয়া গেছে ই. কোলাইসহ নানা রোগজীবাণু। এগুলো মূত্রনালি সংক্রমণ, ডায়রিয়া, মেনিনজাইটিস এমনকি সেপসিসের কারণ হতে পারে।

    ২০২২ সালে মাঙ্কিপক্স আক্রান্ত রোগীর ঘর থেকে নমুনা সংগ্রহে দেখা যায়, বিছানার চাদর পরিবর্তনের সময় বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে ভাইরাস কণা। যুক্তরাজ্যে এক স্বাস্থ্যকর্মী এভাবে সংক্রমিত হয়েছিলেন বলে ধারণা করা হয়।

    বালিশে ফাঙ্গাসের বাস:
    ২০০৬ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ব্যবহৃত পুরনো বালিশে থাকে কোটি কোটি ফাঙ্গাস। বিশেষ করে অ্যাসপারজিলাস ফুমিগাটাস প্রজাতি, যা সাধারণত মাটিতে পাওয়া যায়।

    ঘুমের সময় মাথা থেকে ঘাম ঝরে, ধূলিকণা মাইটের মল ফাঙ্গাসের খাদ্য সরবরাহ করে। বালিশে তাপ ও আর্দ্রতা থাকায় ফাঙ্গাস সহজেই বেড়ে ওঠে। ফলে বালিশে জমে থাকে বিলিয়ন ফাঙ্গাস কণা।

    যদিও সুস্থ মানুষ এগুলো সহ্য করতে পারে, তবে হাঁপানি, সাইনোসাইটিস বা দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন মানুষের জন্য তা মারাত্মক। গুরুতর ক্ষেত্রে ফুসফুস নষ্ট করে ফেলতে পারে এ ধরনের সংক্রমণ।

    কত ঘন ঘন ধোয়া উচিত?:
    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতি সপ্তাহে চাদর ধোয়া উচিত। উচ্চ তাপে ধোয়া ও ইস্ত্রি করলে ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ আরও কমে।

    তবে বালিশের ক্ষেত্রে ধোয়া খুব একটা কার্যকর নয়। ফাঙ্গাস অনেক সময় ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপেও বেঁচে থাকে। তাই হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট আছে এমন রোগীদের প্রতি ৩–৬ মাস অন্তর বালিশ বদলানো জরুরি। আর সুস্থ মানুষের জন্য প্রতি দুই বছর পর নতুন বালিশ নেওয়া উত্তম।

    আরও কিছু পরামর্শ:
    শিশু বিছানায় প্রস্রাব করলে অবশ্যই চাদর দ্রুত ধোয়া প্রয়োজন। পোষা প্রাণী নিয়ে ঘুমালেও জীবাণুর ঝুঁকি বাড়ে। তাই ঘন ঘন পরিবর্তন করা উচিত চাদর বা বালিশ। অনেকে বিছানায় বসে খাওয়া-দাওয়া করেন। সেটাও পরিহার করা উচিত।

    (বিবিসি’র ফিচার অবলম্বনে)

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    September 2025
    S M T W T F S
     123456
    78910111213
    14151617181920
    21222324252627
    282930