আল রোকন,রিপোর্টার কুমিল্লা:
কুমিল্লা দাউদকান্দি উপজেলায় পিপইয়াকান্দি আমানুল উলুল ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ একে, এম মতিউর রহমান মোল্লা পিপইয়াকান্দি আমানুল উলুম ইসলামিয়া সিনিয়র মাদরাসা হইতে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। অত্র মাদ্রাসার গভর্নিংবডি পদত্যাগ পত্র গ্রহণ ও অনুমোদন করে শূন্য পদ ঘোষণা করেন। অতঃপর মোঃ ছালেহ উদ্দিন ভূঁঞাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দেন। দীর্ঘ এক বছর তিন মাস পরে তিনি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সন্ত্রাসীদের সাহায্যে নিয়ে বিভিন্ন দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ ভাবে অধ্যক্ষ পদ গ্রহণ করেন। আর এ অবৈধ পদ বহাল রাখর জন্য তিনি চরম স্বোচ্ছাচারী ভাবে মাদ্রাসা পরিচালনা করার সাথে সাথে আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীদের সহযোগীতায় নিম্ন বর্ণিত বিভিন্নধরনের অপরাধ ও অবৈধ কার্যাবলী করে আসছেন।
এই অবৈধ অধ্যক্ষ একে, এম মতিউর রহমান মোল্লা বিভিন্নভাবে মাদরাসার তহবিল হইতে তুয়া ও জাল ভাউসার দেখাইয়া অর্থ আত্মসাৎ করিয়া আসছেন। উল্লেখ্য যে, গত ২০২৩খ্রি সরকার কর্তৃক অত্র মাদরাসায় ৫,০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকা সুনির্দিষ্ট কিছু খাতে ব্যয়ের জন্য অনুদান আসে। এর মধ্যে মাদরাসার পানি নিষ্কাশন ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করার ব্যবস্থা করা খাত উল্লেখ যোগ্য। অথচ এই খাতে কোন কাজ না করে এই খাতের সম্পূর্ণ টাকা সহ অন্যান্য খাতের অধিকাংশ টাকা তিনি অবৈধ ভাবে আত্মসাৎ করেন। ইহা ছাড়াও অত্র মাদরাসায় সর্বশেণ শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগেও তিনি লক্ষ লক্ষ লক্ষ টাকার নিয়োগ বানিজ্য করেন।
অভিযুক্ত অধ্যক্ষ একে এম মতিউর রহমান মোল্লার বিরুদ্ধে এ মাদরাসার ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী সহ অন্যান্য ছাত্রী ধর্ষনের চেষ্টা, যৌন হয়রানী করা সহ নানা কৌশলে ছাত্রীদের ইভটিজিং করিয়া আসছেন। এমনকি গত ০৬-০৩-২০২৪খ্রি. উক্ত মাদরাসায় কর্মরত দুইজন মহিলা প্রভাষক রাশিদা আক্তার (গণিত) ও রাশিদা আক্তার (জীব বিজ্ঞান) অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি সহ নানা ধরনের ইভটিজিংয়ের ও অপকর্মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অবৈধ অধ্যক্ষ এ কে এম মতিউর রহমান মোল্লা খুবই দুষ্ট প্রকৃতির লোক ফেসিস্ট আওয়ামী সন্ত্রাসীদের সহযোগীতায় অত্র মাদ্রাসার শিক্ষক- শিক্ষিকাদের সাথে চরম দুর্ব্যবহার এবং কুরুচিপূর্ণ ও অসালিন নোংরা ভাষা ব্যবহার কবে আসছেন। কারণে অকারণে বিভিন্ন সময় শিক্ষকদেরকে হেনস্তা ও অপমান অপদস্থ করে থাকেন। সরকারী সুযোগ সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষক- শিক্ষিকা ও সকলকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করা সহ ছুটির আবেদনপত্র আবেদনকারী শিক্ষকের সামনে ছিড়ে ফেলেন। এই চরিত্রহীন দুর্নীতি বাজ অবৈধ অধ্যক্ষ অত্র মাদরাসার শিক্ষার্থীদেরকে পড়াশোনার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করে টাকার বিনিময়ে নিজ দায়ীত্বে হলে নকল সরবরাহ করার মাধ্যমে পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের নিশ্চয়তা দিয়ে থাকেন। এ জন্য তিনি পরীক্ষা চলাকালিন সময়ে প্রশ্ন আউট করে পরীক্ষার হলে নকল সরবরাহ করেন। ইতি মধ্যে তাহার জঘন্যতম কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডে ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে দরখাস্ত জমা দিয়েছেন এ অভিযোগকারী বিরুদ্ধে যথার্থ ব্যবস্থা না নিলে মাদ্রাসা ও শিক্ষার মান অক্ষুন্ন হয়ে পড়বে।

