• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • শ্রীপুরে সরকারি জায়গা দখল করে মন্দির নির্মাণের অভিযোগ 

     swadhinshomoy 
    22nd Sep 2025 2:27 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print
    শ্রীপুর (মাগুরা) প্রতিনিধিঃ

    মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার সাচিলাপুর সার্বজনীন কালী মন্দির কমিটির বিরুদ্ধে সরকারি পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা দখল করে মন্দির নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে মাগুরা বিজ্ঞ আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। আদালত মন্দির নির্মাণ কাজ বন্ধের আদেশ দিলেও মন্দির কমিটির লোকজন এই আদেশের তোয়াক্কা না করেই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। যার ফলে বিষয়টি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৪৮ নং সাচিলাপুর মৌজার ১১২৮ নং দাগের ১৮ শতক জমি ১ বছরের জন্য নন্দলাল সাহা, রবীন্দ্রনাথ সাহা, পরিতোষ চন্দ্র সাহা, কালিপদ সাহা, চিত্তপদ সাহা ও কৃষ্ণপদ সাহা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছ থেকে বন্দোবস্ত নেয়। সু-কৌশলে আরএস রেকর্ড চলাচলীন সময়ে বন্দোবস্তের সূত্র ধরে নিজেদের নামে রেকর্ড করে নেয়। বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানতে পেরে মাগুরার বিজ্ঞ শ্রীপুর সহকারী জজ আদালতে দেওয়ানী ৩০২/২০২০ একটি মামলা দায়ের করে। সেই সাথে উক্ত জমি যেহেতু সরকারি সম্মত্তি সেহেতু বিজ্ঞ আদালত ওই জমিতে বিবাদীদের বিরুদ্ধে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন৷ মামলাটি বর্তমানে বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন। এতদোসত্ত্বেও নন্দলাল সাহাসহ অন্যান্য বিবাদীরা আদালতের নির্দেশ অমান্য করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় জোরপূর্বক দখল করে মন্দির নির্মাণ কাজ অব্যাহত রেখেছেন। এমনকি পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে আমজেদ বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তিকে ৬ শতক জমি বন্দোবস্ত দিলেও উক্ত জায়গাটিও মন্দির কমিটির লোকজন দখল করে নিয়েছে। এ ব্যাপারে আমজেদ বিশ্বাস ও মাগুরা বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন বর্তমানে সে মামলাটিও চলমান রয়েছে। কিন্তু আদালতের আদেশ অমান্য করে মন্দির কমিটির লোকজন মন্দির নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। শুধু তাই নয় পুরো জায়গাটি শক্ত বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে।
    এ বিষয়ে আমজেদ বিশ্বাস বলেন, আমি বিনা বেতনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সুইচ গেটে কর্মরত ছিলাম। সে কারণে পানি উন্নয়ন বোর্ড আমাকে বসবাসের জায়গা দেয়। আমি সে জায়গায় ৩০-৩৫ বসবাস করে আসছি। এছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড আমাকে ১২ এসকে খালের সাথে ৬ শতক জায়গা বন্দোবস্ত দেয়। কিন্তু আমার বন্দোবস্ত নেওয়া ৬ শতক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের ১৯ শতক জায়গা পুরোটা জোরপূর্বক দখল করে মন্দির নির্মাণ কাজ করছে। আমি মামলা করেছি, পানি উন্নয়ন বোর্ডও মামলা করেছে। মামলার রায়ও আমাদের পক্ষে। পুলিশ কাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়ার পরেও তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আমি সঠিক বিচার চাই।
    এ বিষয়ে সাচিলাপুর সার্বজনীন কালী মন্দিরের সভাপতি নির্মল কুমার সাহা বলেন, জায়গাটি নন্দলাল সাহা, রবীন্দ্রনাথ সাহা, পরিতোষ চন্দ্র সাহা, কালিপদ সাহা, চিত্তপদ সাহা ও কৃষ্ণপদ সাহা মন্দিরের নামে দান করেছেন। তারপর ওই জায়গায় মন্দির নির্মাণ হয়। পরে জানতে পারলাম তাদের সাথে এ জমি সংক্রান্ত পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় আমজেদ বিশ্বাসের সাথে মামলা চলমান রয়েছে। তবে মন্দিরটি অরক্ষিত থাকায় বাঁশের বেড়া দেওয়া হয়েছে। এবং মন্দিরে প্রতিমা থাকার কারণে একটু কাজ করা হচ্ছে।
    এ বিষয়ে জানতে মাগুরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সরোয়ার জাহান সুজনকে বার বার মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি।
    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    September 2025
    S M T W T F S
     123456
    78910111213
    14151617181920
    21222324252627
    282930