বরিশাল ব্যুরোঃ
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবিএম জাহিদ হাসান ও রাজাপুর নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে সম্প্রতি কিছু অভিযোগ সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে। তবে এগুলো গুজব ও মিথ্যা অপপ্রচার বলে দাবি করেছেন স্থানীয় শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সূত্র।
জানা যায়, শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার দিন জাহিদ হাসান অসুস্থ থাকায় সেখানে উপস্থিত থাকতে পারেননি। কিন্তু ওই দিন তিনি ঘুষ গ্রহণ করেছেন—এমন অভিযোগ উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রচার করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, মাদ্রাসার প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধেও একইভাবে বানোয়াট অভিযোগ করেছেন ওলিউল্লাহ নামে এক ব্যক্তি। অনুসন্ধানে জানা গেছে, তিনি মূলত প্রতিবন্ধী এবং পূর্বে পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে নিজের ভাগ্নেকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টার অভিযোগে এলাকায় সমালোচিত হয়েছেন। তার এমন কর্মকাণ্ডের কারণে স্থানীয়রা তার বক্তব্যকে অবিশ্বস্ত ও উদ্দেশ্যমূলক বলে মনে করছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানিয়েছে, এবিএম জাহিদ হাসানের বিরুদ্ধে যে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে, তা প্রমাণিত হয়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২২ সালের ২৬ ডিসেম্বর তার কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠালেও তদন্তের নামে এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গৃহীত হয়নি। ফলে স্থানীয় শিক্ষক ও অভিভাবকদের একটি অংশ বিষয়টিকে গুজব ও মিথ্যা অপপ্রচার হিসেবে দেখছেন।
তারা বলছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্যই একটি মহল এসব মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাই শিক্ষা খাতকে সুরক্ষিত রাখতে এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জন্য স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

