• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • ঝালকাঠিতে যৌতুক চেয়ে গৃহবধূকে নির্যাতন,বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ 

     swadhinshomoy 
    29th Sep 2025 1:16 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

    ঝালকাঠির রাজাপুরের মনিকা রানী মিস্ত্রীর মেয়ে ও তিন বছর বয়সী এক শিশুপুত্রের জননী স্বর্ণা মিস্ত্রী (২১)কে যৌতুকের দাবিতে নিযার্তন করে হত্যার করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
    আজ সকালে রাজাপুর উপজেলার পুটিয়াখালী গ্রামের কামারখালী এলাকায় ওই গৃবধূর পিতা-মাতা, স্বজনরা ও এলাকাবাসীরা মানববন্ধনে অভিযোগ করে বলেন যে, পার্শ্ববর্তী পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার ভুবেনেশ্বর এলাকার বাসিন্দা ও ওই মৃত্যু গৃহবধূর স্বামী আসুতোষ দাস ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা যৌতুকের দাবীতে গৃহবধূ স্বর্না মিস্ত্রিকে নির্যাতন করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে! এরই বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করছি আমরা।
    ভান্ডারিয়া উপজেলার ভুবেনেশ্বর এলাকার স্বামী বাড়ি থেকে গত ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে তার মৃত্যু হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নিহত স্বর্ণা মিস্ত্রীর চাচাতো ভাই দীপংকর মিস্ত্রী, বোন মুক্তা মিস্ত্রী, রুপা মিস্ত্রী, পিতা হরিবর মিস্ত্রি ও মা মনিকা রানী প্রমুখ। নিহতের মা মনিকা রানী জানান, ২০২১ সালে পারিবারিকভাবে স্বর্ণার বিয়ে হয় ভান্ডারিয়া উপজেলার মতিলাল দাসের ছেলে আসুতোষ দাসের সঙ্গে। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে মেয়ের ওপর শুরু হয় অমানবিক নির্যাতন। তিনি ও তাঁর স্বামী ঢাকায় দিনমজুরের কাজ করে স্বর্ণার সংসারে স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৮ লাখ টাকা যৌতুক হিসেবে দিয়েছেন বলে দাবি করেন। তবুও আসুতোষ দাস ও তাঁর পরিবারের নির্যাতন বন্ধ হয়নি। মনিকা রানীর অভিযোগ, গত ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে আসুতোষ দাস নিজ মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে তাঁকে বলেন, “আপনার মেয়ে এসে এখনই নিয়ে যান। কথার মাঝেই মেয়ের চিৎকার শুনতে পান তিনি, এরপরই ফোনটি কেটে দেওয়া হয়। পরে খবর পেয়ে ভান্ডারিয়া হাসপাতালে গেলে পুলিশ জানায়, তাঁর মেয়ে গলায় ফাঁস লাগীয়ে মারা গেছে। কিন্তু ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে গলায় ফাঁস দেওয়ার মতো কোনো পরিবেশ নেই। মনিকা রানীর দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, মেয়ের স্বামী ও তাঁর পরিবারের কেউ হাসপাতালে বা থানায় উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি স্বর্ণার তিন বছরের শিশু পুত্র সন্তানকেও তাঁরা লুকিয়ে রেখেছেন। তিনি আরও জানান, ভান্ডারিয়া থানায় অভিযোগ দিতে গেলে পুলিশ তা গ্রহণ করেনি। বরং তদন্ত কর্মকর্তারা নানা অজুহাতে বাধা দেন। ঘটনার পর থেকে হত্যাকারীদের ভাড়াটে লোকেরা তাঁদের ভয়ভীতি দেখিয়ে চুপ থাকতে বাধ্য করেছ। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা স্বর্ণা মিস্ত্রীর মৃত্যুকে নির্মম হত্যাকান্ড বলে দাবি করেন এবং দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি দাবি করেন। ভান্ডারিয়া ওসি জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের জানান, কি ভাবে তার মৃত্যু হয়েছে তা পোস্ট মডেমের রির্পোট পেলে জানা যাবে। এখন পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ আসেনি অভিযোগ আসলে যথাযথভাবে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামীসহ পরিবারের অন্যান্য পুরুষ লোকজন আত্মগোপনে রয়েছে।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    September 2025
    S M T W T F S
     123456
    78910111213
    14151617181920
    21222324252627
    282930