নোয়াখালী প্রতিনিধি : মোঃ ইসমাইল হোসেন:
মানবতার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে একদল নিরলস স্বপ্নবাজ মানুষ — তাদের পথচলার নাম “আলো আশা চ্যারিটি ফাউন্ডেশন”। নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে প্রবাস পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে তাদের সেবার হাত। ২০২৪ ইং সালে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সমাজসেবক আবদুল হক রাজ আলোর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনটি আজ অসহায় ও প্রান্তিক মানুষের জীবনে আশার আলো জ্বালিয়ে চলেছে।
প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনটি কাজ করে যাচ্ছে “মানুষ মানুষের জন্য” এই মানবিক শ্লোগানকে হৃদয়ে ধারণ করে। ইতোমধ্যে ফাউন্ডেশনটি স্থাপন করেছে ৩০টিরও বেশি টিউবওয়েল, যাতে অসংখ্য মানুষ নিরাপদ পানীয় জলের সুবিধা পাচ্ছেন। সেনবাগ উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে মুসল্লিদের জন্য টিউবওয়েল স্থাপন করে তারা যেনো অজু ও পানির ব্যবহারে কোনো কষ্ট না পান — এমন দৃষ্টান্তও স্থাপন করেছে ফাউন্ডেশনটি।
মানবতার এই পথযাত্রায় আলো আশা শুধু তৃষ্ণার জলই দেয়নি, দিয়েছে হৃদয়ের তৃপ্তিও। কোরবানি ঈদে ৫টি গরু কোরবানি করে দরিদ্র মানুষের মাঝে মাংস বিতরণ, বন্যার সময় ত্রাণ ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, শীত মৌসুমে কম্বল ও শীতবস্ত্র প্রদান, এবং অসহায় নারীদের স্বাবলম্বী করতে সেলাই মেশিন ও নগদ অর্থ সহায়তা — প্রতিটি উদ্যোগেই ফুটে উঠেছে তাদের মানবিকতার উজ্জ্বল রূপ।
শুধু তাই নয়, সমাজের অবহেলিত মেয়েদের বিয়েতে নগদ অর্থ প্রদান করে আলো আশা চ্যারিটি ফাউন্ডেশন এক বিরল মানবিক উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।
ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক আবদুল হক রাজ আলো আবেগভরা কণ্ঠে বলেন,
> “মানুষের সেবাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। সমাজের অবহেলিত ও দরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ, ভবিষ্যতেও আমাদের এই মানবিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে।”
নির্মল মানবতার এই ছোঁয়ায়, ‘আলো আশা চ্যারিটি ফাউন্ডেশন’ এখন শুধু একটি সংগঠন নয় — এটি হয়ে উঠেছে ভালোবাসার এক সেতুবন্ধন, যা মানুষকে শেখাচ্ছে — ‘মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় ইবাদত।’

