• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • কুলাউড়া,বড়লেখা,জুড়ী উপজেলা নির্বাচন অফিসের ডাটাএন্ট্রি অপারেটরদের কর্মবিরতি 

     swadhinshomoy 
    13th Dec 2025 1:10 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

    বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয় পরিচালিত আইডিইএ (Identification System for Enhancing Access to Services) প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি আত্মীকরণ দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তায় থাকায় অবশেষে কর্মবিরতিতে গেছেন প্রকল্পভুক্ত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। কর্মবিরতির প্রভাবে কুলাউড়া, বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলা নির্বাচন অফিসে নতুন ভোটার নিবন্ধন, তথ্য সংশোধন, স্মার্টকার্ড বিতরণসহ এনআইডি সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে।

    গত সোমবার সকাল থেকে কর্মবিরতি শুরু হয়। আজ তৃতীয় দিন চলছে। সেবা নিতে আসা মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। সকালে অফিসের সামনে ভিড় দেখা গেলেও কাউন্টার ছিল সম্পূর্ণ অচল। কর্মকর্তারা অফিসে উপস্থিত থাকলেও অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকেন। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চাকরি স্থায়ীকরণের এক দফা দাবিতে তারা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মবিরতি পালন করছেন।
    কর্মবিরতিতে অংশ নেওয়া কর্মকর্তা–কর্মচারীরা জানান, ২০০৭–০৮ সালে পিইআরপি ও ফিনডিক প্রকল্পের আওতায় ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও বায়োমেট্রিক ডাটাবেজ গঠনের কাজ তারা সফলভাবে সম্পন্ন করেন। এরপর থেকে এনআইডি সার্ভার রক্ষণাবেক্ষণ, নতুন ভোটার নিবন্ধন, তথ্য সংশোধন, স্মার্টকার্ড বিতরণসহ সব প্রযুক্তিনির্ভর কাজ দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করছেন তারা। দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ থাকা সত্ত্বেও স্থায়ী নিয়োগ না পাওয়ায় তারা অনিশ্চয়তায় রয়েছেন।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, “আমরা বহু বছর ধরে দক্ষতার সাথে কাজ করছি। এখন নতুন জনবল নিয়োগ দিলে পুরো ব্যবস্থাপনাই আবার নতুন করে সাজাতে হবে, যা অকার্যকর এবং সেবায় বড় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে।”

    ২০২৪ সালের ২১শে আগস্ট মানববন্ধনের পর আশ্বাস দিলেও এক বছরের বেশি সময় পার হয়েছে কিন্তু চাকরি আত্মীকরণ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে জানান তারা। প্রকল্পের মেয়াদ মাত্র এক বছর বাকি। তাদের দাবি এভাবে প্রকল্প শেষ হলে বেশিরভাগ কর্মচারী চাকরির বয়সসীমা পেরিয়ে বেকার হয়ে যাবেন।

    এদিকে সেবা নিতে এসে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। কুলাউড়ার আতিকুর রহমান, জুড়ীর মামুন মিয়া,বড়লেখার হোসনে আক্তার বলেন “জরুরি কাজে এসেছি। কার্ড ঠিক না হলে চাকরিটিও ঝুঁকিতে পড়বে। কিন্তু কর্মবিরতির কারণে কিছুই করতে পারছি না।”

    প্রবাসে যাওয়ার প্রস্তুতিতে থাকা কুলাউড়ার যুবক জয়নাল মিয়া জানান, “পাসপোর্ট মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় বর্তমানে এনআইডি খুব জরুরি। কিন্তু শুনলাম কর্মকর্তারা কর্মবিরতিতে আছেন। ফলে বিপাকে পড়েছি।”

    কুলাউড়া, জুড়ী ও বড়লেখার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা বলেন, কর্মকর্তা–কর্মচারীরা কর্মবিরতিতে থাকায় সাময়িকভাবে সেবা ব্যাহত হচ্ছে। তবে এটি সচিবালয়ের বিষয়। জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে আমাদের কিছু করার নেই উপর মহলের হস্তক্ষেপ বিহীন এহেন সমাধান সম্ভব নয়।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    December 2025
    S M T W T F S
     123456
    78910111213
    14151617181920
    21222324252627
    28293031