রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ ও তাড়াশ উপজেলা চলনবিল অধ্যুষিত এলাকায় আগাম জাতের খিরা চাষে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন কৃষকরা।
মৌসুমের শুরু থেকেই অনুকূল আবহাওয়া ও কৃষি অফিসের কারিগরি সহায়তায় চলতি মৌসুমে খিরার বাম্পার ফলন হয়েছে।
উপজেলার মোট ৩৬০ হেক্টর জমিতে এ বছর খিরা আবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৫ হেক্টর বেশি। উপজেলার ধান গড়া, পাঙ্গাশি, নলকা, ঘুড়কা, ধুবিল, তালম ইউনিয়নে সর্বাধিক খিরা চাষ হয়। এই খিরা চাষকে ঘিরেই নলকার সিরাজগঞ্জ রোড, নলকা ফেরিঘাট বাজার, বগুড়া -ঢাকা মহাসড়কের চান্দাইকোনা বাজার, ঘুড়কা বাজার এলাকায় গড়ে উঠেছে দেশের অন্যতম বৃহৎ খিরার আড়ৎ। আর এ আড়ৎ থেকে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা খিরা কিনতে আসেন। এ উপজেলার খিরা মানসম্মত হওয়ায় সারাদেশে এ অঞ্চলের খিরার চাহিদা বেশি।
কৃষকরা জানান, এ বছর সুইটি, অলরাউন্ডার, শাহজাদি ও তামিল জাতের খিরার ফলন বেশি হয়েছে। বাশুরিয়া গ্রামের কৃষক মাওলানা আলী হোসেন বলেন, আমি ৩.৫ বিঘা জমিতে খিরা চাষ করেছি। খরচ তুলনায় লাভ বেশি হওয়ায় প্রতিবছরই খিরার আবাদ করি। এবার ফলনও ভালো, দামও ভালো। ঘুড়কার কৃষক আঃ সামাদ ও দাদপুরের, ইস্রাফিল জানান, আবহাওয়া অনুকূল থাকায় এ বছর ভালো ফলন হয়েছে এবং খিরার দামও পাওয়া যাচ্ছে ভালো।
রায়গঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের একাধিক কৃষক জানান, উপজেলা কৃষি অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী আগাম জাতের খিরা সময়মতো লাগানোর ফলে ভালো ফলন পেয়েছেন। প্রতি মণ খিরা ১,১০০ থেকে ১,৩০০ টাকা দরে বিক্রি (পাইকারি) হওয়ায় তারা সন্তুষ্ট। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মমিনুল ইসলাম জানান, চলতি মৌসুমে ৩৬০ হেক্টর জমিতে খিরা ও শশা আবাদ হয়েছে। তিনি আরো জানান, বাজারে বর্তমানে কৃষকরা ভালো দামে খিরা ও শশা বিক্রি করছে। বাম্পার ফলন ও ভালো দামে বিক্রি হওয়ায় কৃষকেরা খুশি।

