সাভার আশুলিয়া প্রতিনিধি, শরিফ মিয়া।
বাংলাদেশের রাজনীতির এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আজ সকাল ছয়টায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার মৃত্যুতে দেশজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোক।
দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া। মৃত্যুকালে তিনি অসংখ্য গুণগ্রাহী, দলীয় নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।
খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক শক্তিশালী ও প্রভাবশালী নেতৃত্বের প্রতীক ছিলেন। তিনি তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনীতি ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক সুস্পষ্ট অবস্থান গড়ে তোলে।
তার ইন্তেকালের খবরে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষ শোক প্রকাশ করেছেন। বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়ে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন থেকেও শোকবার্তা আসছে।
এক শোকবার্তায় বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বলেন, “দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক। তার মৃত্যু জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।”
রাষ্ট্র ও রাজনীতির বাইরে একজন মা, স্ত্রী ও সাধারণ মানুষের প্রতি সহমর্মী মানুষ হিসেবেও তিনি বহুজনের স্মৃতিতে অমলিন হয়ে থাকবেন।
দেশ আজ হারাল এক দৃঢ়চেতা রাজনৈতিক নেত্রীকে—যার জীবন ও সংগ্রাম বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

