মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম
দেবিদ্বারের মাশিকাড়া গ্রামে চলতি মৌসুমে সরিষার বাম্পার ফলনে কৃষকদের মুখে ফিরেছে হাসি। অনুকূল আবহাওয়া, আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতির প্রয়োগ এবং রাস্তার পাশে হওয়ায় শতশত মানুষের পর্যটন কেন্দ্র বিন্দু হয়ে উঠেছে। কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানার মাশিকাড়া গ্রাম টি। মাশিকাড়া পদ্মকোট রোডের পাশে হওয়ায়, প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখতে এখানে সারাদিন শত শত মানুষের ভিড়। দেবিদ্বারে এবার সরিষা চাষে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মাঠজুড়ে এখন হলুদ সরিষা ফুলের সমারোহ, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে।
গত বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ও আবাদ—উভয়ই বৃদ্ধি পেয়েছে।উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মাঠ পরিদর্শনে দেখা যায়, ধান কাটার পর পতিত জমিতে সরিষার আবাদ করে কৃষকরা স্বল্প খরচে ভালো ফলন পাচ্ছেন। চলতি মৌসুমে রোগবালাই তুলনামূলক কম থাকায় সরিষার গাছ সুস্থভাবে বেড়ে উঠেছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।
স্থানীয় কৃষকরা বলছেন,অনুকূল আবহাওয়া, আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতির প্রয়োগ, এর কারণে আমাদের উৎপাদন খরচ অনেক কমেছে। ফলনও ভালো হয়েছে। বাজারে যদি দাম ঠিক থাকে, তাহলে আমরা ভালো লাভ করতে পারবো।
সরিষা একটি স্বল্পমেয়াদি ও লাভজনক ফসল হওয়ায় কৃষকরা ধান ও সবজির পাশাপাশি এ ফসল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
সরিষার বাম্পার ফলনে শুধু কৃষকরাই নয়, উপকৃত হচ্ছেন স্থানীয় শ্রমজীবী ও ব্যবসায়ীরাও। ফসল সংগ্রহ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণে সৃষ্টি হয়েছে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ। সব মিলিয়ে দেবিদ্বার উপজেলার সরিষার সোনালি মাঠ এখন কৃষকের স্বচ্ছলতা ও সম্ভাবনাময় কৃষি অর্থনীতির উজ্জ্বল প্রতীক হয়ে উঠেছে। মাশিকাড়া এলাকা টি এখন মৌ ফুলের গন্ধে মুখরিত।

