আহম্মেদুল কবির, কুড়িগ্রামঃ
কুড়িগ্রামে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর ঘাতক স্বামী পালিয়েছে এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনাটি ঘটেছে জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড দিগদারি বানিয়ারভিটা গ্রামে।
স্থানীয়রা জানায়, আজ ১২ জানুয়ারি সোমবার সকালে গ্রামের রজব আলীর পূত্র বাবুল মিয়া ও মাহিমা বেগম দম্পত্তির শোবার ঘর থেকে মাহিমা বেগমের গলাকাটা লাশ দেখতে পাওয়া যায়। এসময় বাবুল মিয়াকে অনেক খোঁজা খবর করেও পাওয়া যায়নি। ধারনা করা হয় মাহিমা বেগমকে গলা কেটে হত্যা করে স্বামী বাবুল মিয়া পালিয়েছে। গ্রামের অনেকে জোর দিয়ে বলেন, বাবুল মিয়া এ ঘটনা না ঘটালে সে পালাত না।
স্থানীয়দের কেউকেউ ধারণা করে বলেন, এই হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত থাকতে পারে। তাদের মতে, নিহত নারীর স্বামী ঘটনার সঙ্গে জড়িত নাও থাকতে পারেন। এমনকি কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, ঘটনার সময় স্বামীকেও তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে অথবা তাকেও হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে এসব তথ্য এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
ঘটনার সংবাদ পেয়ে মহিমার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি বলেন, লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করা হয়েছে এবং একই সাথে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দোষী ব্যক্তিকে চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। মৃত মাহিমার স্বামী বাবুল মিয়াকে পেলেই ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে তিনি জানান। নিহত মাহিমা ২ পূত্র ও ১ কন্যা সন্তানের জননী। তারা স্বামী- স্ত্রী উভয়েই মাছের ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন বলে জানা যায়।

