নীলফামারী প্রতিনিধি:
নীলফামারী-১ (ডোমার–ডিমলা) আসনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী সম্প্রতি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ভগ্নিপতির স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার খবরে আলোচনার রেশ কাটতে না কাটতেই, এবার আলোচনায় এসেছেন শহরিন ইসলাম তুহিনের পিতা অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম।
স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, যদি অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম নীলফামারী-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন, তাহলে ডোমার–ডিমলা উপজেলার বিএনপি নেতা-কর্মীদের অবস্থান নিয়ে দেখা দিতে পারে দ্বিধা ও বিভক্তি।
দলীয়ভাবে বিএনপি ও সমমনা জোট প্রার্থী জমিয়ত মহাসচিব মাওঃ মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী , সে ক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে—
ডোমার–ডিমলার বিএনপি নেতা-কর্মীরা কি দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে জোটপ্রার্থীকে সমর্থন দেবেন, নাকি স্থানীয়ভাবে পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য মুখ হিসেবে অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের পক্ষেই ঝুঁকবেন?
আসন্ন নির্বাচনে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হবে বিএনপি নেতা-কর্মীদের জন্য—তাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তারা কি দলের নির্দেশনার প্রতি আনুগত্য রাখবে, নাকি স্থানীয় জনপ্রিয়তার দিকে ঝুঁকবে। এটি শুধু দলের একাত্মতা এবং ভেতরের রাজনৈতিক সম্পর্কেরই বিষয় নয়, বরং এটি নির্বাচনী ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
সব মিলিয়ে নীলফামারী-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ ডোমার–ডিমলার রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। এখন দেখার বিষয়—দলীয় আনুগত্য না স্থানীয় জনপ্রিয়তা, কোনটি শেষ পর্যন্ত বিএনপি নেতা-কর্মীদের সিদ্ধান্তে প্রাধান্য পায়।

