• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • যশোর -৫ ত্রিমুখী লড়াইয়ে আওয়ামী ও সংখ্যালঘু ভোটারই বিজয়ের চালিকাশক্তি 

     swadhinshomoy 
    08th Feb 2026 3:56 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    নিজস্ব প্রতিবেদক

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করলেও মূলত ত্রিমুখী লড়াই দেখা যাচ্ছে। নির্বাচনে জয়-পরাজয় অনেকাংশে নির্ভর করছে আওয়ামী লীগ এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটারদের ওপর। বিশেষ করে উপজেলা বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত সভাপতি স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবালের কলস প্রতিকের জন্য তারা সমর্থন জোগাচ্ছেন।

    উপজেলা নির্বাচন অফিসার কামরুজ্জামান জানিয়েছেন, আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৮২ জন, যার মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৮৪ হাজার ২১৫ এবং মহিলা ১ লাখ ৮২৩।

    মূলত তিনজন প্রার্থীর প্রচারনাই ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তারা হলেন:
    বিএনপি জোটের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা রশিদ আহমাদ (ধানের শীষ প্রতিক),জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক (দাড়িপাল্লা প্রতিক),স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল হোসেন (কলস প্রতিক)।

    অপর তিন প্রার্থী — ইসলামী আন্দোলনের জয়নাল আবেদীন টিপু (হাতপাখা প্রতিক), জাতীয় পার্টির এমএ হালিম (লাঙ্গল) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার কামরুজ্জামান (ফুটবল প্রতিক) — তুলনামূলকভাবে কম প্রচারণা চালাচ্ছেন।

    তথ্য অনুযায়ী, আসনে ভোটের সংখ্যা প্রায়:

    আওয়ামী লীগ: ১ লাখ ৩৫–৪০ হাজার,বিএনপি: ১ লাখ ১৫–২০ হাজার,জামায়াত: ৫০–৫৫ হাজার,জমিয়ত: ৭–৮ হাজার,ইসলামী আন্দোলন: ১৪–১৫ হাজার,জাপা: ৭–৮ হাজার,বাকী অন্যান্য দল ও নির্দলীয় ভোটার।

    জামায়াত প্রার্থী গাজী এনামুল হক জানান, তার মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হবে স্বতন্ত্র কলস প্রতিক শহীদ ইকবাল হোসেন। অন্যদিকে ধানের শীষ প্রতিক মাওলানা রশিদ আহমাদ আশা করছেন, বিএনপির নেতাকর্মীর শেষ মুহূর্তের সমর্থন তার পক্ষে যাবে।

    এ আসনে অতীতের নির্বাচন ইতিহাস বলছে, ১৯৭৩–২০২৪ পর্যন্ত অধিকাংশ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। মাত্র দুইবার বিএনপি বিজয়ী হয়েছে — ১৯৭৯ সালে আফসার আহমেদ সিদ্দিকী (ধানের শীষ) এবং ২০০১ সালে ইসলামী ঐক্যজোটের মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস (ধানের শীষ)। এছাড়া ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টির বিদ্রোহী প্রার্থী প্রয়াত মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস এবং ২০১৪ ও ২০২৪ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।

    চলতি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ না থাকায় সংখ্যালঘু ভোটাররা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছেন। হিন্দু ও মতুয়া সম্প্রদায়ের ভোট প্রায় ৭০ হাজার, বিশেষ করে ভবদহ এলাকার ছয়টি ইউনিয়নের ৯৬ গ্রামে তারা উল্লেখযোগ্য ভোট ব্যাংক হিসেবে ধরা হচ্ছে। সংখ্যালঘু নেতারা জানান, তারা এমন প্রার্থীকে সমর্থন দেবেন, যিনি এলাকায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখবেন এবং সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করবেন।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    February 2026
    S M T W T F S
    1234567
    891011121314
    15161718192021
    22232425262728