উত্তরা থেকে
মোঃ জাহিদ হোসেন
ষ্টাফ রিপোর্টার
১৮ আসনে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী এস.এম. জাহাঙ্গীর ও ১১ দলীয় জোটের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদিব নির্বাচনের শেষ দিনে হাড্ডাহাড্ডি গণসংযোগ ও পথসভা চালিয়ে যাচ্ছেন। ভোটগ্রহণের আগের সময়ে প্রতিপক্ষদের সক্রিয় প্রচারণা এবং জনসমাগম নির্বাচনী এলাকায় যেমন উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে, তেমনি সাধারণ মানুষের মধ্যে এটি যেন একটা বড় রাজনৈতিক উৎসবের মতো অভিজ্ঞতা হয়ে উঠেছে।
নির্বাচনী প্রচারণা কার্যক্রমে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গণসংযোগ, পথসভা, ফোননেটওয়ার্ক বাড়ানো, পার্টি সমর্থকদের বর্ধিত মিটিংসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন উভয় প্রার্থীর নেতৃত্বে সহায়ক কর্মীরাও। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত সড়ক ও পাড়ায় পাড়ায় নির্বাচনী পতাকা, ব্যানার–ফেস্টুন আর জনসমাগম দেখে স্থানীয়রা মন্তব্য করছেন, “এ যেন রাজনৈতিক শিক্ষার মাঠ; এখানে প্রতিটা কর্মী ও ভোটারই গণতান্ত্রিক চর্চা দেখাচ্ছে।”
উভয় প্রার্থীর গণসংযোগে সাধারণ মানুষের সমস্যা ও তাদের দাবি-দাওয়াকে সামনে রেখে বক্তারা ভাষণ দিয়েছেন। শিক্ষার উন্নয়ন, বেকারত্ব, সড়ক অবকাঠামো, স্বাস্থ্যসেবা, পানিসমস্যাসহ অন্যান্য সামাজিক ও অর্থনৈতিক ইস্যুগুলোতে ভোটারদের কাছে তাদের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেছেন তারা।
চমকদায়ক ব্যাপার হলো, প্রচারণার শেষ দিনেও কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ ও র্যা ম রক্ষা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী শেষ দিন পর্যন্ত মাঠে নিয়োজিত থাকায় শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় রয়েছে। এ বিষয়ে নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষও জানান, “উভয় দলের কর্মীরা ওয়াকথ্রু এবং পথসভায় সুশৃঙ্খলভাবে দণ্ডবিধি মেনে চলছে, যা নির্বাচনী পরিবেশকে ইতিবাচক রেখেছে।”
রাজনীতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, ঢাকা-১৮ আসনের এই নির্বাচনী গণসংযোগ ও পথসভা তরুণ ভোটারদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও সাধারণ মানুষের সচেতনতার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে পরিগণিত হবে। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমূখর এই পরিবেশ ভোটগ্রহণের দিন ভোটার উপস্থিতির সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
আগামী নির্বাচন সংক্রান্ত অন্যান্য খবর ও আপডেট পেতে আমাদের পত্রিকা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

