নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরে ব্যালটের লাইনে বারুদের শঙ্কা, ঝুঁকিতে ৩১ ভোটকেন্দ্র।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে যশোর জেলার দুটি সংসদীয় আসনকে ঝুঁকিপূর্ণ ও অধিক নজরদারির তালিকায় রাখা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, যশোর-২ ও যশোর-৫ আসনের মোট ৩১টি ভোটকেন্দ্রে সংঘাত, কেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনতাই ও সহিংসতার আশঙ্কা রয়েছে।
গোয়েন্দা বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যশোর-২ আসনের ১৮টি এবং যশোর-৫ আসনের ১৩টি ভোটকেন্দ্র অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে এমন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। অতীত নির্বাচনে সংঘর্ষ, আধিপত্য বিস্তার, প্রভাবশালী গোষ্ঠীর সক্রিয়তা এবং স্থানীয় সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের উপস্থিতির কারণে এসব কেন্দ্রকে বাড়তি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র জানায়, যশোরের ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি পুলিশ, আনসার, বিজিবি ও মোবাইল টিম মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর সহায়তা নেওয়ার প্রস্তুতিও রয়েছে।
সব কেন্দ্রকে সিসিটিভি ও বডি-ওর্ন ক্যামেরার আওতায় আনা হচ্ছে এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও পেশাদার অপরাধীদের গতিবিধি ম্যানুয়ালি ও ডিজিটালি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
স্থানীয় ভোটারদের একটি অংশ বলছেন, ভোটের দিন কেন্দ্র দখল বা সংঘর্ষ হলে সাধারণ ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যেতে ভয় পেতে পারেন। তবে প্রশাসন আশ্বাস দিয়েছে যে কোনো ধরনের সহিংসতার চেষ্টা কঠোর হাতে দমন করা হবে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, যশোরে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কেউ আইন ভাঙলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

