উজ্জ্বল চন্দ্র মন্ডল, মাদারীপুর।
বুধবার (১১/০২/২৬ইঐ) সকাল থেকে মাদারীপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পরিদর্শনে আসেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যরা। এ সময় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যরা সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন এবং নির্বাচন কমিশনার, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেন তারা। খোঁজ খবর নেন বিভিন্ন কেন্দ্র এবং ভোটারদের।
এ সময় নির্বাচন কমিশন, রিটানিং কর্মকর্তা ও প্রিজাডিং কর্মকর্তারা নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ করার জন্য সব ধরনের তারা। সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন
“ইউরোপীয় ইউনিয়নের লং টার্ম অবজারভার ও সদস্য ইভা মোল্ট ও লার্স জিরং ফরডাল” বলেন, মাদারীপুরের তিনটি আসনে পরিদর্শন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত সার্বিক পরিস্থিতি ভালো আছে। আমরা এই টিমের দুই সদস্য একমাস ধরে মাদারীপুরে বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরছি। নির্বাচন শেষে ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক রিপোর্ট ও পরবর্তীতে দুই মাস পর পুর্নাঙ্গ রিপোর্ট প্রদান করা হবে।
উল্লেখ যে, মাদারীপুর জেলার ৩ টি সংসদীয় আসনে ভোটের লড়াইয়ে ২৫ প্রার্থী।
জেলার মোট ৩৮১ টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২২৪ টি কেন্দ্রকেই ঝুঁকিপূর্ণ বলে ঘোষণা করেছেন জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা। বাকি ১৫৭ টি ভোটকেন্দ্রকে সাধারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এ বছর জেলায় মোট ভোটার ১১ লাখ ৪৮ হাজার ৩২৭ জন। মোট ভোটাদের মধ্যে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ৫ লাখ ৯৫ হাজার ৩০৮ জন এবং নারী ভোটারের সংখ্যা ৫ লাখ ৫৩ হাজার ৭ জন। এছাড়া জেলায় তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে ১২ জন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, নির্বাচনী মাঠে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর তত্ত্বাবধানে জেলায় মোট ২৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। যার মধ্যে মাদারীপুর-১ আসনে ৭ জন, মাদারীপুর-২ আসনে ৭ ও মাদারীপুর-৩ আসনে ১০ জন দায়িত্বে থাকবেন।
জেলার বিভিন্ন স্থানে ছয়শতাধিক সেনাবাহিনী নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে টহল সহ বিভিন্ন ডিউটিতে নিয়োজিত রয়েছেন। জানা যায়, নির্বাচনে প্রতিটি উপজেলায় ১০০ জন সেনা সদস্য দায়িত্বে থাকা সহ মাদারীপুর সদর উপজেলায় নিয়োজিত থাকবেন ২০০ জন সেনা সদস্য। এছাড়াও সুষ্ঠু ভোটের লক্ষ্যে দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন ৬ প্লাটুন বিজিবি সদস্য ও অর্ধশত র্যাব সদস্য।
নির্বাচন কমিশন সূত্রমতে, প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে নিয়োজিত থাকবে ৩ জন অস্ত্রধারী পুলিশ, ৩ জন অস্ত্রধারী আনসার ও ১০ জন লাঠিধারী আনসার সদস্য। এছাড়া সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ২ জন অস্ত্রধারী পুলিশ ও ২ জন অস্ত্রধারী আনসার এবং ১১ জন লাঠিধারী আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবে।

