ষ্টাফরির্পোটারঃ
হবিগঞ্জের বাহুবল ৬নং মিরপুর ইউনিয়নের দত্তপাড়া গ্রামের দীর্ঘ পনের বছরের প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা বর্তমানে মিরপুর বাজারের ব্যাবসায়ী মোঃ ইরফান আলীর বসত ঘড়ে আপন ভাই ভাতিজা ও ভাবিসহ অজ্ঞাত নামা সন্ত্রাসী
নিয়ে হামলা, নিজ বসত ঘরেই দুই ঘন্টা অস্ত্রের মুখে অবরুদ্ধ।
আধাপাকা বসত ঘড়ের টিনের বেড়া ভাংচুর। ঘড়ের ভিতরে পুবালীর ড্রয়ার ভেংগে দুই বড়ি ওজনের স্বর্নালংকার, ও সুকেজ এর ড্রয়ার ভাংগিয়া দুই লক্ষ সাতান্ন হাজার নগদ টাকাসহ লুট, দ্রুত বিচার আইনে মামলা।
ঘটনা সূত্রে জানাযায় ইরফান আলী ২০০৯ সাল থেকে দীর্ঘ পনের বছর একটানা বিদেশ প্রবাসে থেকে রোজগার করে লক্ষ লক্ষ টাকা ভাইদের নিকট পাঠিয়েছেন। ২০২৫ সালের মার্চ মাসে দেশে এসে আধাপাকা একটি টিনসেট বসত ঘড় নির্মান করে বিয়ে করে আলাদা বসবাস করেন।
বর্তমানে মিরপুর বাজারে ছোট্ট একটি রুটির দোকান করে ব্যাবসা করে জিবিকা নির্বাহ করেন,ভাইদের কাছে টাকার হিসাব পত্র চাইলে তারা প্রথমে সময় নেয়, পরে দীর্ঘ সময় পার হইতে থাকিলে তিনি স্হানিয় লোকদেরকে বিষয়টি জানান। তার পর থেকেই ইরফান আলীর উপর তারা চরম আকারে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে।
তারই ধারা বাহিকতায় এক পর্যায়ে ১৪/০২/ ২০২৬ তারিখ শনিবার সকাল দশটায় তিনি মিরপুর নিজ ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার জন্য প্রস্তূত হলে এসময় সকল আসামীগন ঐক্যবদ্ধে মিলিত হয়ে ইরফান আলীর উপর হামলা করে।
বসত ঘড়ের দক্ষিণের রুমে থাকা সুকেজ ভাংগিয়া ড্রয়ারে থাকা ২ বড়ি স্বর্নালংকার, আলমিরা ভাংচুর করিয়া আলমিরার নিচের ড্রয়ারে থাকা জমি বিক্রয়ের দুই লক্ষ সাতান্ন হাজার টাকা ও জায়গা সম্পত্তির মুল্যবান কাগজপত্র নিয়ে যায়।
এ ছারাও বসত গড় ও ঘড়ের আসবাব পত্র ভাংচুর করে অনুমান ষাট হাজার টাকার ক্ষতি সাধনসহ ছয়লক্ষ সাতান্ন হাজার টাকার মালামাল নিয়ে যায় এবং তাদেরকে অস্রেরমুখে জিম্মি করে বেধরক হাতুয়া মাইরপিট করে গুরুতর জখম করে বলে জানা গেছে।
এ ঘঠনার সংবাদ পেয়ে
বাহুবল থানা হইতে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ইরফান আলী ও তার স্রীকে সেখান থেকে উদ্ধার করেন ঐ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। সেখান থেকে উদ্ধার হয়ে হবিগজ্ঞ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করেন।
এ ঘটনার বিচার চেয়ে ইরফান আলী হবিগঞ্জ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে আসামীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন, তিনি বলেন আশাকরি এবার আমি ন্যায় বিচার পাব।

