ফারুক
উপজেলা প্রতিনিধি, মনিরামপুর।
সদ্য সমাপ্ত হলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, নির্বাচনে প্রতিপক্ষ দল থাকবে, উভয় দল যার যার নির্বাচনী ইশতেহার জনগনের কাছে উপস্থাপন করে নিজ নিজ দলকে বিজয়ী করার চেষ্টা করবে এটাই নির্বাচনের স্বাভাবিক পদ্ধতি।কিন্তু এই পদ্ধতি অবলম্বন যদি একপক্ষ অপর পক্ষ কে মানিয়ে নিতে না পারে তাহলে বুজতে হবে এদেশের জনগন / দলীয় কর্মীরা কতটা হীনমন্যতা নিয়ে রাজনীতি করে।সদ্য সমাপ্ত ৮৯ যশোর -৫ এর জাতীয় নির্বাচন গত ১২ ই ফেব্রুয়ারি সমাপ্ত হলেও নির্বাচনী সহিংসতা যেন প্রতিদ্বন্দ্বী দলের কর্মী দের জীবনে অমানিশা হয়ে ফিরে আসছে।যশোর ৫ আসন এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী ৬ জন হলেও মুলত প্রতিদ্বন্দ্বীতা ৩ জন প্রার্থীর মধ্যে, এর ভীতর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এ্যাডঃ গাজী এনামুল হক সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে ও তার দলের কর্মীরা স্বস্তির নিতে পারছে না,সারাক্ষণ আতংকে দিনাতিপাত করছে।যার সত্যতা ঘটলো যশোর জেলার মনিরামপুর পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড জুড়ানপুর গ্রামের মোঃ.আঃ ছাত্তার এর ভুট্টা ক্ষেতের উপর,উক্ত আঃ ছাত্তার আর্দশিক ভাবে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী না হলেও একজন ভোটকর্মী, সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সে এ্যাডঃ গাজী এনামুল হক এর দাড়ি পাল্লা প্রতিকে ভোট প্রদান করায় একই গ্রামের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ ইকবাল হোসেনের কর্মী. মোঃ রাসেল হোসেন পিতা- মোঃ আলমগীর হোসেন, নির্বাচনের আগে থেকে তাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিয়ে আসছিল, ১২ তারিখের নির্বাচনে তার প্রার্থী পরাজিত হবার ক্ষোভে গতকাল ১৫-২-২৬ রবিবার গভীর রাতে মোঃ.আব্দুস ছাত্তার এর ২০ শতাংশ ভুট্টা ক্ষেতের বেশীর ভাগ ভুট্টা গাছ ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে ছয়লাব করে দিয়েছে,যার কারনে কৃষক আঃ ছাত্তার দারুন ভাবে ভেঙ্গে পড়েছে। এমন দৃশ্য অবলোকন করলে যে কোন বিবেকবান মানুষের অন্তর কেঁপে উঠবে,স্থানীয় জনসাধারণের ভাষ্য, এমন অমানবিক কাজ কোন মানুষে করতে পারে?
ভুক্তভোগীর সঙ্গে মৌখিক আলাপ কালে জানা যায় এব্যাপারে তিনি থানায় অভিযোগ জানাতেও খুবই ভয় পাচ্ছে এই ভেবে,যদি এটা নিয়ে কোথাও অভিযোগ করি তাহলে আরো বড় ধরনের ক্ষতি তার হয়ে যাবে।একটা মানুষকে কত ধরনের হুমকি দিলে সামান্য অভিযোগ জানাতেও ভয় পায় তা এই ভুক্তভোগী কৃষকের সঙ্গে আলাপ করলে কিছুটা অনুমান কারা যায়। আঃ ছাত্তার এর ছেলে জানায় তার মা তাকে তাদের গোয়ালের গরুও বিক্রি করে ফেলতে বলেছে, নাজানি গরুটাও কোন সময় খোয়া যায় এই ভয়ে।

