ষ্টাফরির্পোটারঃ হবিগঞ্জ।
ভোট দিতে দেশে এসেছিলেন হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিএনপি নেতা গোলাম রসুল রাসেল। ভোটকক্ষে আলোর স্বল্পতা নিয়ে কথা বলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। দেয়া হয় সাজাও, অভিযোগ করা হয় তিনি ব্যালট ছিড়ে ফেলেছেন।
অবশেষে আজ সোমবার সকালে তিনি জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিদুর রহমান মজিদ জানান, নির্বাচনের দিন ভোটকক্ষে গিয়ে আলোর স্বল্পতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। একপর্যায়ে তার বিরুদ্ধে ব্যালট ছিড়ে ফেলার অভিযোগ তুলেন দায়িত্বরতরা। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, পরে প্রশাসন তাকে ৫ দিনের কারাদন্ড দেন। একটি মিথ্যা অভিযোগে একজন প্রবাসী নেতাকে সাজা দেয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। সাজা শেষে তিনি আজ কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি বলেন, এমন মিথ্যা ট্যাগ দেয়া যদি বন্ধ না হয়, তবে প্রবাসীরা উৎসাহ হারাবেন।
সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান সেফু বলেন, গোলাম রসুল রাসেল সাবেক ছাত্রদল নেতা। তিনি যুক্তরাজ্য বিএনপি ও কমিউনিটি নেতা। তাকে হেনস্তার তীব্র নিন্দ্বা জানাই। একটি মিথ্যা অভিযোগ তুলে তাকে সাজা দেয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। আজ (সোমবার) তিনি মুক্তি পেয়েছেন।
আমরা তাকে কারা ফটক থেকে নিয়ে এসেছি। এটি প্রবাসীদের উৎসাহিত করার বদলে নিরুৎসাহিত করারই নামান্তর।
১২ ফেব্রুয়ারী ভোট দিতে গিয়ে গোপন কক্ষে আলোর স্বল্পতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিএনপি নেতা গোলাম রসুল রাসেল।এময় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তাকে ব্যালট পেপার ছিড়ে ফেলার অভিযোগ তুলে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তাকে ৫ দিনের সাজা দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
সাজা শেষে সোমবার তিনি জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান। কারা ফটকে তাকে নিতে আসেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান সেফু, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি বয়েত উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক মজিদুর রাহমান মজিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাহিদ তালুকদার, ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্মসম্পাদক টিপু সুলতান, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি নুর আলীসহ নেতাকর্মী গন।

