সাংবাদিক মোঃ জাহিদ হোসেন
উত্তরা থেকে
দৈনিক স্বাধীন সময়
ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কে ঢাকা উত্তর এর শেষ প্রান্তে গাজীপুর জেলার শুরু টঙ্গী স্টেশন রোড। পাশে গড়ে উঠেছে বহু পুরাতন টঙ্গী পাইকারি বাজার যা লাখো মানুষের কর্ম সংস্থানের যোগান দিয়ে আসছে। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা পূরণ করছে টঙ্গী বাজার। স্টেশন রোডের ঠিক পশ্চিম পাশে ১৬০ একর জমি নিয়ে বিশ্ব ইজতেমার ময়দান অবস্থিত এটি মুসলিম উম্মাহর দ্বিতীয় বৃহত্তম জমায়েত স্থান। ১৯৪৬ সালে প্রথম কাকরাইল মসজিদে শুরু হলেও পরবর্তীতে বিশ্ব মুসলিম মেহমানদের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় ১৯৬৬ সাল থেকে ঐতিহাসিক টঙ্গী ময়দান দেশি বিদেশি মেহমানদের ভরসার স্থানে পরিণত হয়। এর কিছু পূর্বে অবস্থিত টঙ্গী রেল স্টেশন এটি ১৯১৮ সালে বৃটিশ শাসন আমলে স্থাপিত হয় বলে জানা যায়। উত্তর বঙ্গের সাথে ঢাকা এবং গাজীপুর যোগাযোগ ব্যবস্থায় অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছে। এসব ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা ঘিরে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অনৈত কর্ম কান্ডে জরিয়ে যুব সমাজ তথা ছিন্নমূল বিপদগ্ৰস্থ নারী পুরুষের হাতে তুলে দিয়েছে নেশা দ্রব্য যা সমাজ ব্যবস্থা ধ্বংসের মুখে। প্রকাশ্য দিবালোকে প্রশাসনের চোখের সামনে ছিনতাই এর মতো জঘন্য অপরাধ করছে। জনজীবন বিপর্যস্ত সাধারণ মানুষের জীবন যাত্রা হুমকির সম্মুখীন। প্রতিদিন পথচারী হচ্ছে সর্বশান্ত। পুলিশ নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে। মানুষ অসহায়। ক্ষেত রক্ষায় যে বেরা দিয়েছে বেরা সেই ক্ষেত খেয়ে ফেলছে। স্টেশনে অবস্থিত পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে দায়িত্ব রত কাউকে পাওয়া যায়নি। মানুষের জীবন মালের দায় ভার কে নিবে? দিন দিন নেশা খোরদের দৌড়াত্ব বেড়েই চলেছে লাগাম ধরতে সত সাহসী একটি হাত লাগবে। তৈরি হবে কি সেই হাত?

