আন্তর্জাতিক:
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গেই লাভরভ ১লা মার্চ
ফোনালাপ করেছেন।ওয়াং ই বলেন, চীন ও রাশিয়ার চেষ্টায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ গতকাল ইরান পরিস্থিতি নিয়ে একটি জরুরি বৈঠকের আয়োজন করেছে। চীন সবসময় জাতিসংঘ সনদ ও এর নিয়মনীতি মেনে চলার পক্ষে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কে বলপ্রয়োগের তীব্র বিরোধিতা করে চীন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আলোচনার প্রক্রিয়ার মাঝেই ইরানের ওপর যে হামলা চালিয়েছে, তা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। দেশ দুটি একটি সার্বভৌম দেশের নেতাকে হত্যা করেছে এবং শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের যে উসকানি দিয়েছে, তা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। এ ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মৌলিক নীতিমালার চরম লঙ্ঘন। এ সংঘাত এখন সমগ্র পারস্য উপসাগরজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এবং এটি মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে এক বিপজ্জনক অতল গহ্বরে ঠেলে দিতে পারে। চীন এ বিষয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
ওয়াং ই আরও বলেন, এ বিষয়ে চীনের অবস্থান হলো—প্রথমত, অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করা; দ্বিতীয়ত, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আলোচনার টেবিলে ফিরে আসা; এবং তৃতীয়ত, যৌথভাবে সব ধরনের একতরফা আচরণের বিরোধিতা করা।
জবাবে লাভরভ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর যে সামরিক হামলা চালিয়েছে, তা মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির স্থিতিশীলতাকে মারাত্মকভাবে ধ্বংস করেছে। এ বিষয়ে রাশিয়া ও চীনের অবস্থান অভিন্ন। রাশিয়া চীনের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় জোরদার করে জাতিসংঘ এবং শাংহাই সহযোগিতা সংস্থাসহ (এসসিও) বিভিন্ন কাঠামোর মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাতে চায়।
সূত্র: শুয়েই-তৌহিদ-জিনিয়া,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

