মোংলা বন্দরের উপপরিচালক মাকরুজ্জামান এর একান্ত সাক্ষাৎকারে স্টাফ রিপোর্টার এম এ হান্নান মিস্টার মাকরুজ্জামানকে প্রশ্ন করেন—ইরান এবং ফিলিস্তিনে চলমান যুদ্ধে মোংলা বন্দরে কোনো প্রভাব পড়েছে কি না। তিনি বলেন, আমাদের মোংলা বন্দরে বৈশ্বিক যুদ্ধের কোনো প্রভাব পড়েনি। বরং ২০২৫ ও ২০২৬ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে আমদানি ও রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি জানান, এ সময়ে ৫৮৬টি গাড়ি আমদানি করা হয়েছে। এছাড়া ৭৭২টি কন্টেইনার জাহাজ হ্যান্ডলিং করা হয়েছে। ২ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন পণ্য হ্যান্ডলিং করা হয়েছে, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮৮ লাখ মেট্রিক টন। আমাদের মোংলা বন্দরের রাজস্বও বৃদ্ধি পেয়েছে, ইনশাল্লাহ।
মিস্টার মাকরুজ্জামান বলেন, আমাদের মোংলা বন্দর ডিজিটালাইজড পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়। যে কোনো প্রান্ত থেকে বন্দরের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করা যায়। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বন্দরের দুটি দপ্তরের দায়িত্ব পালন করায় খুব ব্যস্ত থাকতে হয়। আগের মতো সবাইকে সময় দিতে পারছি না, এজন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের প্রাণপ্রবাহ এ বন্দরটি। কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি বর্তমানে খাদ্যশস্য, সিমেন্ট ক্লিংকার, সার, মোটরগাড়ি, মেশিনারিজ, চাল, গম, কয়লা, তেল, পাথর, ভুট্টা, তেলবীজ ও এলপিজি গ্যাস আমদানি করা হয়। অন্যদিকে গার্মেন্টস পণ্য, সাদা মাছ, চিংড়ি, পাট ও পাটজাত দ্রব্য, হিমায়িত খাদ্য, কাঁকড়া, ক্লে, টাইলস, রেশমি কাপড় ও জেনারেল কার্গো রপ্তানির মাধ্যমে দেশের চলমান অর্থনীতিতে বিশেষ ভূমিকা রেখে আসছে মোংলা বন্দর।
পরিশেষে সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়।

