শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
মোঃ দিলুয়ার হোসেন
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার শাল্লা সদরস্থ ঘুঙ্গিয়ার গাঁও কলেজ রোডে প্রকাশ্য দিবালোকে বসতবাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে ।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকালে ইয়ারাবাদ গ্রামের ইকবাল হোসেন তার দল বল নিয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কান্দিগাঁও গ্রামের আব্দুল মন্নান মিয়ার বসতবাড়িতে ভাংচুর, লুটপাট ও শিশু সহ নারীদের উপর আক্রমন করা হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আরো জানান, ইয়ারাবাদ গ্রামের ইকবাল ও তাদের লোকজন হঠাৎ করে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায় আব্দুল মন্নান মিয়ার বাসায়৷ এবং ঘরে ঢুকে আসবাবপত্র ভাংচুর করে।
তবে ভুক্তভোগী মন্নান মিয়ার স্ত্রী মঞ্জু চৌধুরী বলেন,
আমার বাসায় কোন পুরুষ লোক ছিল না। সেই সুযোগে ইকবাল তার দলবল নিয়ে বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমাদের বাসা ভাংচুর করে এবং আমার ছেলে বউদের ৭ ভরি স্বর্ণ লোটপাট করে, এমনকি শিশু বাচ্চা সহ বাসায় থাকা আমাদের মহিলাদের উপর আক্রমণ চালায়।
এবিষয়ে শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ রোকিবুজ্জামান জানান, আমি ৯৯৯ ফোন পেয়ে পুলিশ পাঠিয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নিব।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস জানান, আমাকে একজন ফোন দিয়ে বিষয়টি জানালে আমি তাৎক্ষণিক পুলিশকে অবগত করি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জায়গার বিষয়টি কাগজপত্র দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এবিষয়ে আব্দুল মন্নান বলেন এই বাসা আমার, আমার কাগজপত্র আছে ,। অভিযুক্ত ইকবাল এর মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান এ বাসার জায়গা শাল্লা ইউনিয়ন পরিষদ এর সাবেক চেয়ারম্যান আমার দুলাভাই মরহুম হোসেন আহমদ এর, আমরা প্রশাসনের মাধ্যমে বারংবার সমাধানের চেষ্টা করছি, এইডা নিয়ে অনেক বার বসা হইছে এ পর্যন্ত ৩০ বারের মতো আমার পক্ষে রায় আইছে, রায় যখন আসে আমার পক্ষে তখন সে মানে না, বর্তমান প্রশাসনের এরা জানে, উনারা বারবার বৈঠক করছে, বৈঠক করে কাগজ পত্র দেখে সিদ্ধান্ত আমার পক্ষে দিছে । আমার পক্ষে যখন আসে তখন মন্নান মিয়া মানে না, তার বিরুদ্ধে রায় গেলে সে রায় মানে না। তখন তারা
বাধ্য হইছে আইন হাতে নেওয়ার জন্য ।

