সাংবাদিক মোঃ জাহিদ হোসেন
দৈনিক স্বাধীন সময়
শুভ নববর্ষ ১৪৩৩। রং আনন্দ আর ভালোবাসায় ভরে উঠুক এই বৈশাখ। ১লা বৈশাখ বাঙ্গালী জাতির অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক উৎসব। যাহা বাংলাদেশ, পশ্চিম বঙ্গ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাঙ্গালীরা আনন্দ উৎসাহের সাথে পালন করে।
১লা বৈশাখ বাংলা পঞ্জিকার প্রথম দিন।এটি প্রতি বছর ১৪ এপ্রিল রাষ্টিয়ভাবে উদযাপিত হয়। আনুমানিক ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে মুঘল সম্রাট আকবর এর সময় বাংলা সনের চালু হয়। রাজধানী ঢাকার রমনা বটমূলে সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। “এসো হে বৈশাখ এসো এসো ” গান গেয়ে বাংলা বর্ষকে বরন করে নেয় বাঙ্গালী জাতি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে বের করা হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। বিভিন্ন মুখোশ, শিল্পকর্ম ও রঙ্গিন সাজে শোভাযাত্রা হয়। তরুণ তরুণীরা বিভিন্ন রঙ্গিন সাজে সেজে ঘর থেকে বের হয় ১লা বৈশাখ উদযাপন করতে। বাঙ্গালীদের প্রানের উৎসবে থাকে বাঙ্গালীয়ানা খাবার পান্তা, ইলিশ, ভর্তা, মরিচ ভাজা সহ পায়েস এর আয়োজন থাকে ঘরে বাইরে মেলায় সর্বত্র। ১লা বৈশাখ শুধু নতুন বছর না এটি বাঙ্গালীর ঐতিহ্য ও পরিচয়ের প্রতিক। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের উৎসব।সাম্য মৈত্রী আনন্দ ও নতুন আশার বার্তা বহন করে। ব্যবসায়ীরা হালখাতা খোলেন পুরনো দেনা পাওনা চুকিয়ে নতুন বছরের খাতা শুরু করেন। পুরোনো ক্রেতারা আসেন তাদের বাকির লেনদেন শেষ করে মিষ্টি মুখ করেন। পুরোনো ঢাকা সহ দেশের প্রত্যেক বাজারে থাকে নতুন নতুন সাজ। ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা গালে আল্পনা আঁকে বাবার হাত ধরে হালখাতা করতে দোকানে দোকানে যায়।

