ববি প্রতিনিধি
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি )র আয়োজিত “Peer-to-Peer Orientation Learning Session on Social Emotional Well-being” সেমিনারে বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্ছ মাঠে
বক্তব্য প্রদানকালে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য মাসুমা হাবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নাম মোহাম্মদ তৌফিক আলোম কে ভুল উচ্চারণ তৌহিদ আলম বলেন এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে গুঞ্জন তৈরি হয়।
Peer-to-Peer Orientation Learning Session on Social Emotional Well-being” সেমিনারটি আয়োজন করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যারিয়ার ক্লাব, যেখানে ইউনেস্কো এবং ইউজিসি সহযোগিতা করে। নির্দেশনা অনুযায়ী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় মুক্ত মঞ্চ এ সকাল ১১টায় শুরু হয়। উক্ত সেমিনারে অংশ নেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম এবং ইউজিসি সদস্য মাসুমা হাবিবসহ বিভিন্ন শিক্ষক ও কর্মকর্তারা। দিনব্যাপী সেশনটিতে শিক্ষার্থীদের সামাজিক-মানসিক সুস্থতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ, আবেগ নিয়ন্ত্রণ, সহপাঠী সহায়তা ব্যবস্থা ও ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার পরিকল্পনা বিষয়ে বিভিন্ন আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে মাসুমা হাবিব শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেওয়া কালীন তিনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মোহাম্মদ তৌফিক আলম এর নাম ভুল উচ্চারণ করেন তৌহিদ আলম এতে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে তা নিয়ে গুঞ্জন তৈরি হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি মোহাম্মদ তৌফিক আলম মাসুমা হাবিব এর ভুল উচ্চারণ মুখে মধ্যে মিচমিচ হাসি থাকলেও চেহারা মলিন ও কালো হয়ে গেছিলো।
গনযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী অমিও মন্ডল বলেন ,” একজন ইউজিসি সদস্য একটা বিভাগীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নাম ঠিকঠাক জানেন না এটা লজ্জার বিষয়। আমরা ইউজিসি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অনেক কিছু আশা করি কিন্তু ইউজিসি যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে এভাবে নাম না জানার মতো এতো অগোছালো সম্পর্কে থাকে তাহলে সেটা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য লজ্জার। ”
আরো এক শিক্ষার্থী রিপন শিকার বলেন,
“আমার কাছে ঘটনাটি সত্যিই অপ্রত্যাশিত লেগেছে। একজন ইউজিসি সদস্য একটি বিভাগীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নাম সঠিকভাবে না জানলে তা নিঃসন্দেহে দুঃখজনক। আমরা ইউজিসির কাছ থেকে উচ্চশিক্ষা খাতে পেশাদারিত্ব, দায়িত্ববোধ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি গভীর বোঝাপড়া আশা করি। কিন্তু এমন ভুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ কতটা দূরত্বপূর্ণ—তা স্পষ্ট করে দেয়। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমি মনে করি, এই ধরনের অসাবধানতা শুধু বিব্রতকরই নয়, আমাদের প্রতিষ্ঠানের জন্যও এক ধরনের অবমূল্যায়ন।”
কিছু শিক্ষার্থী বিষয়টিকে “অনিচ্ছাকৃত ভুল” বললেও, অনেকে এটিকে “প্রস্তুতির ঘাটতি” বা “তিনি উপাচার্য কে চেনে না” হিসেবে উল্লেখ করেন।

