স্টাফ রিপোর্টারঃ
ঢাকা রেশনিংয়ের ডি-৭ এলাকার দোকান সেল ডিলার আহমেদ মোস্তাকিন কাফি, তদারককারী কর্মকর্তা ফারহানা আক্তার মুক্তি ও ট্রাক সেল ডিলার শামসুল আলম, তদারককারী কর্মকর্তা কাজী মোঃ আহসান হোসেন এর যোগসাযোশে ওএমএস পণ্য থেকে বঞ্চিত হয়েছে শতশত ভোক্তা সাধারণ।
২৩ নভেম্বর, সোমবার সকালে ডিলার আহমেদ মোস্তাকিন কাফির দোকান সেল পয়েন্টে দেখা যায় সকাল ৯ টা থেকে ২০/২৫ জন ভোক্তা লাইন ধরে দাড়িয়ে রয়েছে কম দামে পণ্য চাল ও আটা নিবে বলে। ডিলার দোকান খুলেছে সাড়ে দশটায়।
দোকানে পণ্য থাকার কথা ১৫ শ কেজি চাল ও ১৫ শ কেজি আটা। কিন্তু সেখানে রয়েছে ৭শ কেজি চাল ও ৮শ কেজি আটা। চাল-আটা কম কেন জানতে চাইলে দোকানে থাকা ডিলারের প্রতিনিধি কোনো কথা বলেননি। এ অবস্থায় তদারককারী কর্মকর্তা ফারহানা আক্তার মুক্তিকে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ১২টার দিকে মেইন রোডের পাশে তদারককারী মুক্তিকে দেখে তার নিকট দোকান সেলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভাই আমি ভয়ে ফোন ধরিনি। আমার হার্টের সমস্যা। আমাকে মাফ করে দেন। এআরও তৌফিক স্যারের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে।
এদিকে কাজীপাড়া বাসস্ট্যান্ড পয়েন্টে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ট্রাক সেল ডিলার শামসুল আলম ওএমএস পন্যের গাড়ি আনেননি।
দায়িত্বরত তদারককারী কাজী মোঃ আহসান হোসেন বলেন, আমি অন্য একটি পয়েন্টে আছি। বিষয়টি দেখতেছি।
ঢাকা রেশনিংয়ের এআরও তৌফিক-ই- এলাহীকে অবগত করলে তিনি বিষয়টি দেখতেছি বলে কল কেটে দেন।
সময় তখন বিকেল ৩টা। এসময়ও ডিলার শামসুল আলমের ওএমএস পণ্যের গাড়ির দেখা মেলেনি।
তদারককারী কাজী আহসানকে ফোন দিলে তিনি বলেন,পণ্য সেল হচ্ছে দেখে আসছি। আমি লাঞ্চ করতেছি। পরবর্তীতে এ প্রতিনিধি যখন বলেন আমিতো আপনার কাজীপাড়া বাসস্ট্যান্ড পয়েন্টে, এখানে কোনো ওএমএস পণ্যবাহী কোনো ট্রাক দেখা যাচ্ছে না, উত্তরে তিনি বলেন হয়তো মাল বিক্রি শেষ হয়েছে তাই ট্রাক চলে গেছে বলেই ফোন কেটে দেন তিনি। এরপর বারা বার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এদিকে ডিলার আহমেদ মোস্তাকিন কাফির দোকানের ঠিকানা ব্যানারে ১২৪০/৫ মনিপুর, মিরপুর থাকলেও তিনি নার্গিস ট্রেডার্স,৬৬৮ পশ্চিম কাজীপাড়া ঠিকানায় পণ্য সেল করছেন।
উক্ত ট্রাকসেল ও দোকান সেলের অনিয়ম সম্পর্কে ঢাকা রেশনিং কার্যালয়ের প্রধান নিয়ন্ত্রক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, যদি এরকম কোনো অনিয়ম হয়ে থাকে তাহলে আমি শক্তহাতে কঠিন ব্যাবস্থা গ্রহণ করবো।

