শহীদুল ইসলাম শরীফ, স্টাফ রিপোর্টার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা ১ আসনে বিপুল সংখ্যা ভোট পেয়ে বিশাল জয় পেয়েছেন ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক। তার এই বিজয়ের পর এখন দোহার ও নবাবগঞ্জের সাধারণ মানুষের মনে নতুন এক আকাঙ্ক্ষা দানা বেঁধেছে। স্থানীয় ভোটার, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক সচেতন মহলের দাবি— বিগত কয়েক দশকের উন্নয়ন বঞ্চনা দূর করতে এবং ঢাকার এই গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বারকে আধুনিক করতে খন্দকার আবু আশফাককে আসন্ন মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হোক।
দোহার ও নবাবগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের অভিযোগ, দেশের রাজধানীর পাশের জেলা হওয়া সত্ত্বেও এই জনপদ আশানুরূপ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। স্থানীয়দের মতে, অতীতে যখনই এই আসন থেকে কেউ মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন, তখনই এলাকায় রাস্তাঘাট, নদী শাসন ও অবকাঠামোগত বড়ো পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে প্রয়াত আব্দুল মান্নান ও ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার সময়ে মন্ত্রিত্বের সুবাদে এলাকায় যে পরিমাণ কাজ হয়েছিল, সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে খন্দকার আবু আশফাককে মন্ত্রিসভায় দেখার বিকল্প নেই বলে মনে করেন তারা।
ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে খন্দকার আবু আশফাক দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয় থেকে দলের তৃণমূলকে সুসংগঠিত করেছেন। এমনকি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনেও তার বলিষ্ঠ ভূমিকা ছিল।
“বিএনপির রাইপাড়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের সভাপতি লুনা ভুঁইয়া, কর্মী মাসুদ রানা, মো: জামাল ও ফনু সহ কয়েক জনের অভিমত, ‘আবু আশফাক ভাই মাটি ও মানুষের নেতা। তিনি মন্ত্রিত্ব পেলে আমাদের এলাকার দীর্ঘদিনের নদী ভাঙন সমস্যা ও শিল্পায়নের বাধাগুলো দ্রুত সমাধান হবে এটি এখন পুরো দোহার-নবাবগঞ্জের বাসির প্রাণের দাবি।’
বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন, আসন্ন সরকারে ঢাকার এই গুরুত্বপূর্ণ আসনের প্রতিনিধিত্ব থাকা জরুরি। তারা বলেন, খন্দকার আবু আশফাককে মন্ত্রী করা হলে কেবল দোহার-নবাবগঞ্জ নয়, পুরো ঢাকা জেলার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ধানের শীষের এই বিশাল জয় প্রমাণ করেছে তৃণমূলের মানুষের কাছে আবু আশফাক কতটা জনপ্রিয়। এখন দেখার বিষয়, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে গঠিত হতে যাওয়া মন্ত্রিসভায় দোহার-নবাবগঞ্জবাসীর এই আশা পূর্ণ হয় কি না।

